ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান: জরিমানার অর্থ মৃতদের পরিবারকে দেওয়ার প্রস্তাব দেবেন ডিএসসিসি প্রশাসক Logo প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা-সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ Logo খাদ্যের পরিমাণ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে Logo পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন, সম্পাদক শিবলী Logo ‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে’ Logo ভুয়া মেসেজ পেলেই সতর্ক করবে গুগলের জেমিনাই এআই Logo সাবেক সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কারাগারে Logo জয়রথে মোহামেডান, ছুটছে কিংসও Logo ককরোচ প্রধান দীপকের বাড়িতে পুলিশ, তিরঙ্গা যাত্রা না করার নোটিশ Logo ফের দিল্লি পুলিশের হাতে আটক অভিজিৎ দিপকে

‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে’

জাতীয় ডেস্ক: শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে হিলারি ক্লিনটনকে উদ্দেশ করে বলেন যে তিনি অনেক বোকা এবং ড. ইউনূসকে পুরস্কৃত করেছেন। তাঁর এই ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয় এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। পোস্টটিতে অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় তিন হাজার লাইক পড়ার পাশাপাশি অনেকে তা শেয়ারও করেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ‘হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয়। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্টন হলে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল যেখানে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ড. ইউনূসের নাম ঘোষণা করার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় চারশ অতিথি দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ করতালি দিয়ে তাঁকে সম্মান জানান। অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও গবেষকরাও অংশ নিয়েছিলেন।

এ বছর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও আরও তিন জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা প্রাপ্ত অন্য তিনজন হলেন ভারতের সেলফ-এমপ্লয়েড উইমেনস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক রিমা নানাবতী, ফ্যাশন ডিজাইনার এবং টোরি বার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা টোরি বার্চ। এছাড়া জর্ডানের মাইক্রোফান্ড ফর উইমেনের বোর্ড চেয়ার মুনা সুখতিয়ানকে বিশেষ ‘জর্জটাউন অ্যাম্বাসেডরস অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। বিশ্বজুড়ে নারী ক্ষমতায়ন ও সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানিত করা হয়েছে।

ড. আসিফ নজরুলের এই মন্তব্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজে বিভিন্ন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে নোবেলজয়ীর এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের জন্য যেমন ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনি এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ড. ইউনূসের এই অর্জন এবং পরবর্তীতে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলের মন্তব্য দেশের গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রচার হয়েছে।

জনপ্রিয়

ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান: জরিমানার অর্থ মৃতদের পরিবারকে দেওয়ার প্রস্তাব দেবেন ডিএসসিসি প্রশাসক

‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে’

প্রকাশিত ০৭:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে হিলারি ক্লিনটনকে উদ্দেশ করে বলেন যে তিনি অনেক বোকা এবং ড. ইউনূসকে পুরস্কৃত করেছেন। তাঁর এই ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয় এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। পোস্টটিতে অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় তিন হাজার লাইক পড়ার পাশাপাশি অনেকে তা শেয়ারও করেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ‘হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয়। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্টন হলে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল যেখানে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ড. ইউনূসের নাম ঘোষণা করার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় চারশ অতিথি দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ করতালি দিয়ে তাঁকে সম্মান জানান। অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও গবেষকরাও অংশ নিয়েছিলেন।

এ বছর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও আরও তিন জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা প্রাপ্ত অন্য তিনজন হলেন ভারতের সেলফ-এমপ্লয়েড উইমেনস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক রিমা নানাবতী, ফ্যাশন ডিজাইনার এবং টোরি বার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা টোরি বার্চ। এছাড়া জর্ডানের মাইক্রোফান্ড ফর উইমেনের বোর্ড চেয়ার মুনা সুখতিয়ানকে বিশেষ ‘জর্জটাউন অ্যাম্বাসেডরস অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। বিশ্বজুড়ে নারী ক্ষমতায়ন ও সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানিত করা হয়েছে।

ড. আসিফ নজরুলের এই মন্তব্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজে বিভিন্ন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে নোবেলজয়ীর এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের জন্য যেমন ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনি এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ড. ইউনূসের এই অর্জন এবং পরবর্তীতে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলের মন্তব্য দেশের গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রচার হয়েছে।