ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: ‘নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’ Logo প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও আশা জাগাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক Logo চুয়েট: অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা করলেন উপাচার্য, ১৫ সদস্যের নয় জনই অনুপস্থিত Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩ লাখের বেশি সদস্য মণ্ডপের নিরাপত্তায়: আইজিপি Logo ডেঙ্গু ঝুঁকির আগাম সংকেত দেবে ঢাবি গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদ’ Logo ‘হাসিনা সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে’ Logo নাসরীন জাহানের ‘ফিনিক্স তোমাকে মায়াবাসী’ বইয়ের প্রচ্ছদ উন্মোচন Logo দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর Logo চুয়েটে আন্দোলনের মধ্যেই সিন্ডিকেট সভা, সিদ্ধান্ত নিয়ে ধোঁয়াশা Logo ‘আপনাদের কারও ভোটব্যাংক হওয়ার প্রয়োজন নেই’

চুয়েট: অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা করলেন উপাচার্য, ১৫ সদস্যের নয় জনই অনুপস্থিত

ক্যাম্পাস ডেস্ক: অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা পরিচালনা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পনেরো জন সিন্ডিকেট সদস্যের মধ্যে মাত্র ছয় জন উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি নয় জন সদস্য সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য ছাড়া এই বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের অন্য কোনো সদস্যের অংশ না নেওয়ার বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অতীতে কখনো অনলাইনে এ ধরনের সিন্ডিকেট সভা আয়োজনের কোনো পূর্বদৃষ্টান্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ক্যাম্পাসে আন্দোলনের মুখে পড়ে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সহযোগিতায় সেই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থান করার সময় তিনি এই অনলাইন সভা আহ্বান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রাশিদুল হাসান ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ততা ও ছুটির কারণে এই সভায় অংশ নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।

অনলাইন সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্যসহ মোট ছয় জন সদস্যের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। চুয়েটের সিন্ডিকেটে মোট সতেরোটি সদস্য পদের মধ্যে সহ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের দুটি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সভায় অংশ নেওয়া অন্য এক সদস্য ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন নিয়োগ পরীক্ষার কাজে ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। আর সভার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও আলোচ্যসূচি সম্পর্কে জানতে সংবাদমাধ্যম থেকে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও উপাচার্য ফোন ধরেননি।

লিখিত বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক শরীফুল আলম জানান, সভায় মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের দাবি পর্যালোচনা করে একাডেমিক অচলাবস্থা নিরসনের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সেশনজটের ঝুঁকি ও শিক্ষা জীবন ব্যাহত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সিন্ডিকেট সভায়। পাশাপাশি, ক্যাম্পাসে পারস্পরিক আস্থা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সবপক্ষকে দায়িত্বশীল হয়ে অবিলম্বে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, চলমান সংকট দূর করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: ‘নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

চুয়েট: অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা করলেন উপাচার্য, ১৫ সদস্যের নয় জনই অনুপস্থিত

প্রকাশিত ০১:২২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ক্যাম্পাস ডেস্ক: অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা পরিচালনা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পনেরো জন সিন্ডিকেট সদস্যের মধ্যে মাত্র ছয় জন উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি নয় জন সদস্য সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য ছাড়া এই বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের অন্য কোনো সদস্যের অংশ না নেওয়ার বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অতীতে কখনো অনলাইনে এ ধরনের সিন্ডিকেট সভা আয়োজনের কোনো পূর্বদৃষ্টান্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ক্যাম্পাসে আন্দোলনের মুখে পড়ে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সহযোগিতায় সেই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থান করার সময় তিনি এই অনলাইন সভা আহ্বান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রাশিদুল হাসান ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ততা ও ছুটির কারণে এই সভায় অংশ নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।

অনলাইন সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্যসহ মোট ছয় জন সদস্যের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। চুয়েটের সিন্ডিকেটে মোট সতেরোটি সদস্য পদের মধ্যে সহ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের দুটি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সভায় অংশ নেওয়া অন্য এক সদস্য ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন নিয়োগ পরীক্ষার কাজে ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। আর সভার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও আলোচ্যসূচি সম্পর্কে জানতে সংবাদমাধ্যম থেকে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও উপাচার্য ফোন ধরেননি।

লিখিত বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক শরীফুল আলম জানান, সভায় মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের দাবি পর্যালোচনা করে একাডেমিক অচলাবস্থা নিরসনের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সেশনজটের ঝুঁকি ও শিক্ষা জীবন ব্যাহত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সিন্ডিকেট সভায়। পাশাপাশি, ক্যাম্পাসে পারস্পরিক আস্থা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সবপক্ষকে দায়িত্বশীল হয়ে অবিলম্বে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, চলমান সংকট দূর করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।