ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আন্দোলনই শেষ নয়, দেশ পুনর্গঠনেও তরুণদের আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রথম নারী প্রধান তথ্য কমিশনার নাহরিন ইসলাম Logo কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে প্রতিনিধি দল পাঠানোর নির্দেশ Logo প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার থেকে সরিয়ে মাহফুজুর রহমানকে করা হলো তথ্য কমিশনার Logo রাজধানীর ১৩ স্পটে প্রধানমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন Logo রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার তাগিদ Logo ল্যাবে তৈরি ‘মানব মস্তিষ্ক’ মহাকাশে পাঠাল স্পেসএক্স Logo অর্থ সঞ্চয়ের জন্য উপকারী হতে পারে ‘অর্থ বন্ধু’ Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কেমন একাদশ নিয়ে নামছে বাংলাদেশ Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম দেখতে আজিমপুর-ধানমন্ডিতে প্রধানমন্ত্রী

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার তাগিদ

জাতীয় ডেস্ক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই আহ্বান জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার আসন্ন জরুরি প্রস্তুতি পর্যালোচনা মিশনকে সামনে রেখে এই বিশেষ কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়। আগামী আট থেকে আঠারো নভেম্বর বাংলাদেশে এই মূল্যায়ন মিশন পরিচালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত এগারো অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে এটি একটি বড় অগ্রগতি হলেও গ্রিডে সরবরাহের আগে আরও কিছু পরীক্ষা বাকি রয়েছে। কর্মশালায় জানানো হয় যে রূপপুর প্রকল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তাব্যবস্থা যুক্ত রয়েছে। তবে শুধুমাত্র প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞান সচিব জানান যে পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অতি নগণ্য হলেও সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, ভৌগোলিক অবস্থান এবং স্থানীয় পরিবেশ বিবেচনা করে দেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই মিশনকে কোনো পরীক্ষা হিসেবে না দেখে বরং নিজেদের ঘাটতি চিহ্নিত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত দল এবং অন্যান্য সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়।

জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ, তথ্য আদান-প্রদান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের এলাকার পরিবেশ এবং বিকিরণের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে তা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করতে হবে। পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে যাতে কোনো ধরনের আতঙ্ক তৈরি না হয়, সে জন্য গণমাধ্যমের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হয়। বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

আন্দোলনই শেষ নয়, দেশ পুনর্গঠনেও তরুণদের আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার তাগিদ

প্রকাশিত ০৪:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই আহ্বান জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার আসন্ন জরুরি প্রস্তুতি পর্যালোচনা মিশনকে সামনে রেখে এই বিশেষ কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়। আগামী আট থেকে আঠারো নভেম্বর বাংলাদেশে এই মূল্যায়ন মিশন পরিচালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত এগারো অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে এটি একটি বড় অগ্রগতি হলেও গ্রিডে সরবরাহের আগে আরও কিছু পরীক্ষা বাকি রয়েছে। কর্মশালায় জানানো হয় যে রূপপুর প্রকল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তাব্যবস্থা যুক্ত রয়েছে। তবে শুধুমাত্র প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞান সচিব জানান যে পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অতি নগণ্য হলেও সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, ভৌগোলিক অবস্থান এবং স্থানীয় পরিবেশ বিবেচনা করে দেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই মিশনকে কোনো পরীক্ষা হিসেবে না দেখে বরং নিজেদের ঘাটতি চিহ্নিত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত দল এবং অন্যান্য সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়।

জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ, তথ্য আদান-প্রদান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের এলাকার পরিবেশ এবং বিকিরণের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে তা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করতে হবে। পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে যাতে কোনো ধরনের আতঙ্ক তৈরি না হয়, সে জন্য গণমাধ্যমের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হয়। বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।