আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত নিরসনে ধারাবাহিক আলোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অনুষ্ঠিত ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান এই অবস্থান তুলে ধরেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি রক্ষা ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই সভার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
বৈঠকে ফিলিস্তিন সংকট ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানিয়ে নারী ও শিশুদের ওপর চলা ইসরায়েলি বর্বরতা বন্ধের কথা বলা হয়। পাশাপাশি, মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোকে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে।
এই ধরনের জটিল সংকট মোকাবিলায় মুসলিম বিশ্বকে পারস্পরিক বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে ইসলামোফোবিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এই সম্মেলনে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে মুসলিম উম্মাহকে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বিশ্বব্যাপী শান্তি বজায় রাখতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। ওআইসির এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মুসলিম দেশগুলোর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জোরালোভাবে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। এই সংলাপে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক সংকট সমাধানে বাংলাদেশের সক্রিয় কূটনীতির প্রতিফলন ঘটেছে।





































