ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামাল আর নেই

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামাল। সম্প্রতি রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৭৪ বছর বয়সী এই শিল্পী। তিনি প্রখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের ছোট মেয়ে এবং মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামালের ছোট বোন। তার মৃত্যুতে পরিবার ও শিল্পাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন এই চিত্রশিল্পী। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার একমাত্র মেয়ে বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফেরার পর মরহুমার দাফন ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।

স্বজনরা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য থেকে মেয়ে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষিত থাকবে। আগামী মঙ্গলবার জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। চলতি বছরের জুলাই মাসে তার বড় ভাই সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালও মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

সাঈদা কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে পড়াশোনা শেষ করে ভারতের শান্তিনিকেতনের কলাভবন থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বড় বোন সুলতানা কামালের সঙ্গে তিনি রণাঙ্গনের ফিল্ড হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ‘সর্বাধিনায়কের বিশেষ প্রশংসাপত্র’ দেওয়া হয়েছিল।

জনপ্রিয়

ফিটনেস ট্র্যাকার ব্যবহারে বাড়ছে মানসিক চাপ ও লজ্জা: গবেষণা

মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামাল আর নেই

প্রকাশিত ০৩:৩৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী সাঈদা কামাল। সম্প্রতি রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৭৪ বছর বয়সী এই শিল্পী। তিনি প্রখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের ছোট মেয়ে এবং মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামালের ছোট বোন। তার মৃত্যুতে পরিবার ও শিল্পাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন এই চিত্রশিল্পী। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার একমাত্র মেয়ে বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফেরার পর মরহুমার দাফন ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।

স্বজনরা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য থেকে মেয়ে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষিত থাকবে। আগামী মঙ্গলবার জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। চলতি বছরের জুলাই মাসে তার বড় ভাই সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালও মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

সাঈদা কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে পড়াশোনা শেষ করে ভারতের শান্তিনিকেতনের কলাভবন থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বড় বোন সুলতানা কামালের সঙ্গে তিনি রণাঙ্গনের ফিল্ড হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ‘সর্বাধিনায়কের বিশেষ প্রশংসাপত্র’ দেওয়া হয়েছিল।