ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ককরোচের দীপকে বললেন, সৌরভ ও আশুতোষ তার চেয়ে ‘অনেক বড় নেতা’

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কারাবন্দী দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা বিচারিক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিহার কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। ভারতীয় বিশেষ নির্বাহী হাকিম আদালত তাদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়ার পর গত একুশে অক্টোবর রাতে তারা কারাগার থেকে বের হন। জামিন পাওয়ার শর্ত হিসেবে তাদের প্রত্যেককে পঞ্চাশ হাজার রুপি করে ব্যক্তিগত ও জামানত বন্ড জমা দিতে হয়েছে। এর আগে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

কারমুক্তির পর আদালতে দেওয়া মুচলেকায় সৌরভ ও আশুতোষ জানিয়েছেন, যন্তর মন্তর এলাকাটি অনুমোদিত সমাবেশের তালিকা থেকে বাদ থাকা পর্যন্ত তারা সেখানে কোনো বিক্ষোভ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না। গত তেরো অক্টোবর পুলিশের ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে দিল্লি পুলিশ তাদের আটক করেছিল। এরপর টানা সাত দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর তারা মুক্তি পেলেন।

এদিকে সতীর্থদের এই কারামুক্তিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। অন্যদিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে সৌরভ ও আশুতোষকে নিজের চেয়ে অনেক বড় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে তার নেতারা যে নির্দেশনা দেবেন, তিনি তা মেনে চলতে প্রস্তুত এবং তার জীবন তাদের সেবায় উৎসর্গীকৃত।

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে শর্ত সাপেক্ষে জামিনে মুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে দলটির অভ্যন্তরীণ গতিপ্রকৃতি ও নেতাদের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিও প্রকাশ পেয়েছে।

জনপ্রিয়

ফোল্ডএবল আইফোন ঘিরে ক্রেতার ভিড়, মিলছে না সহজে

ককরোচের দীপকে বললেন, সৌরভ ও আশুতোষ তার চেয়ে ‘অনেক বড় নেতা’

প্রকাশিত ০২:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কারাবন্দী দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা বিচারিক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিহার কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। ভারতীয় বিশেষ নির্বাহী হাকিম আদালত তাদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়ার পর গত একুশে অক্টোবর রাতে তারা কারাগার থেকে বের হন। জামিন পাওয়ার শর্ত হিসেবে তাদের প্রত্যেককে পঞ্চাশ হাজার রুপি করে ব্যক্তিগত ও জামানত বন্ড জমা দিতে হয়েছে। এর আগে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

কারমুক্তির পর আদালতে দেওয়া মুচলেকায় সৌরভ ও আশুতোষ জানিয়েছেন, যন্তর মন্তর এলাকাটি অনুমোদিত সমাবেশের তালিকা থেকে বাদ থাকা পর্যন্ত তারা সেখানে কোনো বিক্ষোভ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না। গত তেরো অক্টোবর পুলিশের ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে দিল্লি পুলিশ তাদের আটক করেছিল। এরপর টানা সাত দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর তারা মুক্তি পেলেন।

এদিকে সতীর্থদের এই কারামুক্তিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। অন্যদিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে সৌরভ ও আশুতোষকে নিজের চেয়ে অনেক বড় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে তার নেতারা যে নির্দেশনা দেবেন, তিনি তা মেনে চলতে প্রস্তুত এবং তার জীবন তাদের সেবায় উৎসর্গীকৃত।

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে শর্ত সাপেক্ষে জামিনে মুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে দলটির অভ্যন্তরীণ গতিপ্রকৃতি ও নেতাদের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিও প্রকাশ পেয়েছে।