রাজনীতি ডেস্ক: সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত মতামত তুলে ধরেন। মব সৃষ্টি করে হত্যার তীব্র সমালোচনা করে তিনি সবার আগে সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তিনি ময়মনসিংহের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে জানান যে, অতীতে মিথ্যা অভিযোগে এক যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় জুবায়ের নামের এক ব্যক্তি উসকানিদাতা ছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে মবকারীরা নিজেরাই রক্ষা পাওয়ার জন্য ন্যায়বিচার ও আইনের কথা বলছে, যা অত্যন্ত অদ্ভুত এক পরিস্থিতি। মানুষের মনের কথার প্রসঙ্গ টেনে তিনি মন্তব্য করেন যে, এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হওয়া উচিত যেন সন্তান কোনো খারাপ কাজ করার আগে দশবার ভাবে। চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ইসলামী শরিয়তের আলোকে শিশুদের সুরক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি ছোট বাচ্চাদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার মতো ক্ষতিকর অভ্যাস বর্জন করার আহ্বান জানান। তিনি জানান, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী বড়দের মুখের লালা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে শিশুদের মেনিনজাইটিস, হারপেস ও দাঁত ক্ষয়ের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
শিশুদের ওপর নিপীড়নের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা বলাৎকার করে তারা স্নেহের বশে নয় বরং শিশুদের প্রতি বিকৃত যৌনাচারের কারণে এমনটি করে থাকে। এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মাদরাসা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি, জুবায়েরের মতো উগ্রবাদীদের বা জঙ্গিদের যেন কোনো আলেম-ওলামা প্রশ্রয় বা সুযোগ না দেন, সে বিষয়েও তিনি সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।
সবশেষে তিনি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষায় পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। অভিভাবকদের ভুল অভ্যাস পরিহার করে সঠিক উপায়ে সন্তান লালনপালন করার আহ্বান জানান তিনি। তার এই ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পর বিভিন্ন মহলে নানাবিধ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।





































