জাতীয় ডেস্ক: পাবনার রূপপুরে নির্মিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সফলভাবে শেষ হয়েছে। ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই ইউনিটের বি-২ ধাপের পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপ শুরু হবে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাসান জানান, সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষ দিকেই পাওয়ার স্টার্টআপ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বায়রার ছাড়পত্র পাওয়ার ওপর এই কার্যক্রমের শুরু হওয়া নির্ভর করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং পরবর্তীতে সফলতা সাপেক্ষে এর ক্ষমতা বাড়ানো হবে।
প্রকৌশলীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী, পাওয়ার স্টার্টআপের পর উৎপাদন ক্ষমতা নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা যাবে। এর ফলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথম ইউনিট থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হতে পারে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে প্রতিটি ধাপের পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হবে যা দেশের জ্বালানি খাতে বড় ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, স্থানীয় বাজারে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণে এই প্রকল্পের আর্থিক ব্যয় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্পের মূল কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।






































