ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইন্সটিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ার্স (আইট্রিপলই)-এর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি সোসাইটি (ইএমবিএস)-এর উদ্যোগে ৪ দিনব্যাপী ‘বায়োইনফরম্যাটিক্স’-এর উপর ‘এম্পাওয়ারিং ফ্রেশার্স ফ্রম জিরো নলেজ টু রিসার্চ পাবলিকেশন’ গবেষণা কর্মশালা শুরু হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৪১৩ নং রুমে চারদিনব্যাপী এই কর্মশালা শুরু হয়।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মো. ইয়াকুব আলী এবং উপদেষ্টা হিসেবে সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান ও বিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ৪ দিনব্যাপী এই কর্মশালা অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালাটি আয়োজিত হয়েছে সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড বায়োইনফরমেটিক্স অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স রিসার্চ – CABAIR এর সৌজন্যে।
১ম দিনের কর্মশালা শেষে বিএমই বিভাগের এক শিক্ষার্থী তাসফিয়া তাহসিন বলেন, “আমরা যারা নতুন শিক্ষার্থী, তাদের অনেকেরই বায়োইনফরম্যাটিক্স বা গবেষণা সম্পর্কে পূর্বধারণা খুব সীমিত। আজকের প্রথম দিনের সেশনটি ছিল খুবই গোছানো ও সহজভাবে উপস্থাপিত। জিরো নলেজ থেকেও কীভাবে গবেষণার পথে এগোনো যায় তা পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছি। এই কর্মশালা আমাদের গবেষণায় আগ্রহী করে তুলবে বলে আমি মনে করি।”
প্রশিক্ষক মো. ইয়াকুব আলী বলেন, “এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য হলো ফ্রেশার শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি আত্মবিশ্বাসী করে তোলা। বায়োইনফরম্যাটিক্স বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আমরা ধাপে ধাপে দেখানোর চেষ্টা করছি, কীভাবে শূন্য জ্ঞান থেকে শুরু করে গবেষণাপত্র প্রকাশ পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব। আশা করছি, অংশগ্রহণকারীরা এখান থেকে বাস্তব গবেষণায় যুক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে।”
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রকৌশল ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের সংযোগস্থলে বায়োইনফরম্যাটিক্সের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের শুরু থেকেই গবেষণামুখী করে তুলতে এ ধরনের কর্মশালা অত্যন্ত প্রয়োজন। আইইইই ইএমবিএস-এর এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও প্রকাশনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।”




















