ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‎২১ ফেব্রুয়ারি: আমাদের ভাষা রক্ষার দিন Logo বিশ্বের ১৫০টি প্রস্তাবকে পেছনে ফেলে আইএইউ-এর ৯৫০০ ইউরো অনুদান জিতল ‘EcoAstroBD’ Logo ‎কুবিস্থ নেত্রকোণা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সাদির-মোফাজ্জল Logo স্পেয়ার পার্টসে ৭০% পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছেন রিয়েলমির গ্রাহকরা Logo অপো এ৬এস প্রোর ‘ফরেস্ট লুক’ ঘিরে দেশজুড়ে তারকাদের ব্যাপক আলোড়ন Logo রং তুলির আছড়ে, প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে শহীদ মিনার  Logo রমজান জুড়ে জাবিতে স্বল্পমূল্যে ‘ইফতার-ই-দস্তরখান’ আয়োজন Logo কুবিতে আবাসিক হলে ঢুকে ১৩-১৪ সেশনের ছাত্রদল নেতা কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধর Logo বায়তুল মোকাররমে হাজারো মুসল্লির একসাথে ইফতার, অংশ নিতে পারে যে কেউ  Logo কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১-১০ রমজান ‘ক্যাম্পাস ইফতার ও কুরআন খতম’ কর্মসূচি

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আস্থার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন এস এম জিলানী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশক পর এই আসনে আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্যের বিপরীতে সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রধান জায়গায় পরিণত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।

বিগত কয়েক দিন ধরে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পাড়া-মহল্লায় তাঁর গণসংযোগ ও পথসভাগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন পর এলাকায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে নিজেদের কথা বলতে পারছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় জিলানীকে এক নজর দেখতে এবং তাঁর কথা শুনতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন।

টুঙ্গিপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল করিম (৫২) আবেগাপ্লুত কণ্ঠে অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, এ জীবনে এমন দিন দেখব ভাবিনি—একজন প্রার্থী আমাদের ঘরের সামনে এসে বসে কথা শুনবেন। পোস্টারে দেখা নেতা আজ আমাদের আঙিনায়।

কোটালীপাড়ার কলেজ শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার (২১) অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, আমাদের প্রজন্ম ভয় নয়, সাহস চায়। জিলানী ভাই আমাদের চোখে সেই সাহস ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এই এলাকার মানুষের চাওয়া খুব বেশি নয়—শুধু একটু নিরাপত্তা, একটু ন্যায়বিচার, একটু মর্যাদা।

কৃষক মো. আলাউদ্দিন (৬০) কাঁপা কণ্ঠে অভিযাত্রা রিপোর্টকে জানান, আমরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট চাই—কিন্তু তার চেয়েও বেশি চাই ভয় ছাড়া ভোট দেওয়ার অধিকার। এই ভয়টাই আমাদের গিলে খেয়েছে এত বছর। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ আর হতাশার মাঝেও আমরা এখন পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছি।

প্রচারণায় এস এম জিলানী বারবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলছেন—যা অনেক হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে। টুঙ্গিপাড়ার শ্যামল বিশ্বাস (৪৫) বলেন, তিনি আমাদের ঘরে এসে বসেছেন, চা খেয়েছেন, আমাদের দুঃখ শুনেছেন। আমরা তো এমনটাই চাই—মানুষ হিসেবে সম্মান।

নির্বাচনী মাঠ পর্যালোচনায় দেখা যায়, এস এম জিলানী শুধু নিজ দলের নেতাকর্মী নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার কথা বলে দল-মত নির্বিশেষে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তাঁর দৃঢ় অবস্থান সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করেছে। গত ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে যেসব জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তা মোকাবিলা করে মাঠে টিকে থাকায় স্থানীয়দের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে।

প্রচারণা চলাকালে নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এস এম জিলানী প্রতিদিন জনপদে জনপদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় তাঁকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দিতে দেখা গেছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর এই সাহসী পদচারণা ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

এক তরুণ কর্মী বলেন, যে নেতা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের পর দিন আমাদের পাশে দাঁড়ান, গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে আমাদের কথা শোনেন, শত হুমকির পরও ঘরে বসে থাকেন না—তাকে ছেড়ে আমরা আর কোথায় যাব? জিলানী ভাই আমাদের সাহস, আমাদের ভরসা।

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এস এম জিলানী অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, “আমি আপনাদের কাছে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা বা এমপি হয়ে থাকতে চাই না; আমি এই জনপদের মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই। আপনারা ভয় পাবেন না, ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কেউ কারো ওপর জুলুম করবে না এবং প্রতিটি ধর্মের মানুষ সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বাস করবে।”

তিনি আরো বলেন, বিএনপি সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে যেখানে সব মতামত ও দল থাকবে। আমি নির্বাচিত হলে প্রথমেই মাদক নির্মূলের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও নারী উন্নয়নে কাজ করব। আগেও আমি এই আসন থেকে দু’বার নির্বাচন করেছি, কিন্তু তখন ভোটারদের কাছে যেতে পারিনি। এখন যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটাই আমাদের সবার জন্য গণতান্ত্রিকভাবে কাজ করার সুযোগ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জিলানীর ব্যক্তিগত ইমেজ এবং জনগণের প্রতি তাঁর একাত্মতা দল-মত নির্বিশেষে তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এস এম জিলানীর এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ আসন্ন নির্বাচনে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিতে পারে।

মাঠের চিত্র বলছে, জিলানীর প্রচারণা শুধু রাজনীতির হিসাব পাল্টাচ্ছে না—মানুষের মানসিকতাও বদলে দিচ্ছে। তরুণ, কৃষক, নারী, সংখ্যালঘু—সব শ্রেণির মানুষের চোখে এখন নতুন প্রত্যাশা। সামগ্রিকভাবে, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এস এম জিলানী এখন শুধু বিএনপির প্রার্থী নন বরং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় ও ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন বলে স্থানীয় সুধী সমাজ মনে করছে।

জনপ্রিয়

‎২১ ফেব্রুয়ারি: আমাদের ভাষা রক্ষার দিন

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আস্থার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন এস এম জিলানী

প্রকাশিত ০২:০০:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশক পর এই আসনে আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্যের বিপরীতে সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রধান জায়গায় পরিণত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।

বিগত কয়েক দিন ধরে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পাড়া-মহল্লায় তাঁর গণসংযোগ ও পথসভাগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন পর এলাকায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে নিজেদের কথা বলতে পারছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় জিলানীকে এক নজর দেখতে এবং তাঁর কথা শুনতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন।

টুঙ্গিপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল করিম (৫২) আবেগাপ্লুত কণ্ঠে অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, এ জীবনে এমন দিন দেখব ভাবিনি—একজন প্রার্থী আমাদের ঘরের সামনে এসে বসে কথা শুনবেন। পোস্টারে দেখা নেতা আজ আমাদের আঙিনায়।

কোটালীপাড়ার কলেজ শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার (২১) অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, আমাদের প্রজন্ম ভয় নয়, সাহস চায়। জিলানী ভাই আমাদের চোখে সেই সাহস ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এই এলাকার মানুষের চাওয়া খুব বেশি নয়—শুধু একটু নিরাপত্তা, একটু ন্যায়বিচার, একটু মর্যাদা।

কৃষক মো. আলাউদ্দিন (৬০) কাঁপা কণ্ঠে অভিযাত্রা রিপোর্টকে জানান, আমরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট চাই—কিন্তু তার চেয়েও বেশি চাই ভয় ছাড়া ভোট দেওয়ার অধিকার। এই ভয়টাই আমাদের গিলে খেয়েছে এত বছর। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ আর হতাশার মাঝেও আমরা এখন পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছি।

প্রচারণায় এস এম জিলানী বারবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলছেন—যা অনেক হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে। টুঙ্গিপাড়ার শ্যামল বিশ্বাস (৪৫) বলেন, তিনি আমাদের ঘরে এসে বসেছেন, চা খেয়েছেন, আমাদের দুঃখ শুনেছেন। আমরা তো এমনটাই চাই—মানুষ হিসেবে সম্মান।

নির্বাচনী মাঠ পর্যালোচনায় দেখা যায়, এস এম জিলানী শুধু নিজ দলের নেতাকর্মী নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার কথা বলে দল-মত নির্বিশেষে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তাঁর দৃঢ় অবস্থান সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করেছে। গত ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে যেসব জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তা মোকাবিলা করে মাঠে টিকে থাকায় স্থানীয়দের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে।

প্রচারণা চলাকালে নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এস এম জিলানী প্রতিদিন জনপদে জনপদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় তাঁকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দিতে দেখা গেছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর এই সাহসী পদচারণা ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

এক তরুণ কর্মী বলেন, যে নেতা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের পর দিন আমাদের পাশে দাঁড়ান, গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে আমাদের কথা শোনেন, শত হুমকির পরও ঘরে বসে থাকেন না—তাকে ছেড়ে আমরা আর কোথায় যাব? জিলানী ভাই আমাদের সাহস, আমাদের ভরসা।

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এস এম জিলানী অভিযাত্রা রিপোর্টকে বলেন, “আমি আপনাদের কাছে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা বা এমপি হয়ে থাকতে চাই না; আমি এই জনপদের মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই। আপনারা ভয় পাবেন না, ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কেউ কারো ওপর জুলুম করবে না এবং প্রতিটি ধর্মের মানুষ সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বাস করবে।”

তিনি আরো বলেন, বিএনপি সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে যেখানে সব মতামত ও দল থাকবে। আমি নির্বাচিত হলে প্রথমেই মাদক নির্মূলের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও নারী উন্নয়নে কাজ করব। আগেও আমি এই আসন থেকে দু’বার নির্বাচন করেছি, কিন্তু তখন ভোটারদের কাছে যেতে পারিনি। এখন যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটাই আমাদের সবার জন্য গণতান্ত্রিকভাবে কাজ করার সুযোগ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জিলানীর ব্যক্তিগত ইমেজ এবং জনগণের প্রতি তাঁর একাত্মতা দল-মত নির্বিশেষে তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এস এম জিলানীর এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ আসন্ন নির্বাচনে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিতে পারে।

মাঠের চিত্র বলছে, জিলানীর প্রচারণা শুধু রাজনীতির হিসাব পাল্টাচ্ছে না—মানুষের মানসিকতাও বদলে দিচ্ছে। তরুণ, কৃষক, নারী, সংখ্যালঘু—সব শ্রেণির মানুষের চোখে এখন নতুন প্রত্যাশা। সামগ্রিকভাবে, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এস এম জিলানী এখন শুধু বিএনপির প্রার্থী নন বরং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় ও ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন বলে স্থানীয় সুধী সমাজ মনে করছে।