সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। ফলে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা নানামুখী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে হলের কক্ষ, বারান্দা ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশার উৎপাত আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এতে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না এবং রাতের ঘুমও ব্যাহত হচ্ছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, পর্যাপ্ত মশা নিধন কার্যক্রম না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ ইকবাল বলেন , “বর্তমানে ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব অত্যন্ত বেড়ে গেছে। ক্লাসরুম, লাইব্রেরি ও হলগুলোতে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি আরো উদ্বেগ তৈরি করছে।আমাদের দাবি প্রশাসন যেন দ্রুত নিয়মিত ড্রেন ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে এবং ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করে। ”
পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের ২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়ামুল ইসলাম বলেন , “বর্তমানে ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব অত্যন্ত বেড়ে গেছে। ক্লাসরুম, লাইব্রেরি ও হলগুলোতে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি আরো উদ্বেগ তৈরি করছে। আমাদের দাবি প্রশাসন যেন দ্রুত নিয়মিত ড্রেন ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে এবং ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করে। ”
মশার উপদ্রব কমাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌরসভা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছি, যাতে আমাদের ক্যাম্পাসে মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। আমিও ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করব। শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছি।”
শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার এবং স্থায়ী মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই সার্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন তারা।




















