ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে যবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দোয়া

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১১:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬১ বার পঠিত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এশার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল শেষ করে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একত্রিত হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা,“ইনকিলাব ইনকিলাব—জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ”,“আমার ভাই হাসপাতালে—ইন্টেরিম কি করে?”,“আমার ভাইয়ের রক্ত—বৃথা যেতে দেব না ”,“হাদীর ওপর হামলা কেন—প্রশাসন জবাব দে”সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া নিউট্রিশন এন্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সালেক খান বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন সাহসী কণ্ঠস্বর ওসমান হাদি ভাইয়ের ওপর সংঘটিত নৃশংস হত্যাচেষ্টার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল অপরাধীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানাচ্ছি।

এসময় তিনি আরো বলেন, আজকে আমাকে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, গত ১৬ বছর ধরে যবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ যেভাবে সন্ত্রাস, নিপীড়ন এবং হলের রুমে তথাকথিত “টর্চার সেল”-এ চালানো অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে গেছে, তার রেশ আজও ক্যাম্পাসে বিদ্যমান। নিষিদ্ধ সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও তাদের অনেকেই এখনো দাপটের সঙ্গে ক্যাম্পাসে বিচরণ করছে যা আমাদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় এবং প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। শুধু ছাত্রলীগ নয়, ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধেও আজ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, অবিলম্বে এদের সকল অপতৎপরতা বন্ধ করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো স্থান নেই দাবি করে তিনি ক্যাম্পাসের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানান।

জনপ্রিয়

হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে যবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দোয়া

প্রকাশিত ১১:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এশার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল শেষ করে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একত্রিত হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা,“ইনকিলাব ইনকিলাব—জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ”,“আমার ভাই হাসপাতালে—ইন্টেরিম কি করে?”,“আমার ভাইয়ের রক্ত—বৃথা যেতে দেব না ”,“হাদীর ওপর হামলা কেন—প্রশাসন জবাব দে”সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া নিউট্রিশন এন্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সালেক খান বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন সাহসী কণ্ঠস্বর ওসমান হাদি ভাইয়ের ওপর সংঘটিত নৃশংস হত্যাচেষ্টার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল অপরাধীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানাচ্ছি।

এসময় তিনি আরো বলেন, আজকে আমাকে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, গত ১৬ বছর ধরে যবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ যেভাবে সন্ত্রাস, নিপীড়ন এবং হলের রুমে তথাকথিত “টর্চার সেল”-এ চালানো অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে গেছে, তার রেশ আজও ক্যাম্পাসে বিদ্যমান। নিষিদ্ধ সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও তাদের অনেকেই এখনো দাপটের সঙ্গে ক্যাম্পাসে বিচরণ করছে যা আমাদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় এবং প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। শুধু ছাত্রলীগ নয়, ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধেও আজ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, অবিলম্বে এদের সকল অপতৎপরতা বন্ধ করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো স্থান নেই দাবি করে তিনি ক্যাম্পাসের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানান।