ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কুবির একাউন্টটিং ক্লাবের সভাপতি ফাহমিদা বেগম, সম্পাদক আবু জাফর Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে ‘না’ ভোটের আহ্বান জাবি শিক্ষিকার  Logo শিবির নেতার বক্তব্যে ফ্যাসিবাদী আচরণের অভিযোগ, জবি ছাত্রদলের নিন্দা Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ Logo বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে উন্মোচিত হলো ১২০x জুমসহ অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি Logo ইবিতে বৈশ্বিক চাকরির প্রস্তুতি ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা Logo ইবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় Logo ইবিস্থ নওগাঁ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি সৈকত, সম্পাদক সোয়াইব Logo সৌদি আরবে সুযোগ কমছে প্রবাসীদের, দুই খাতে ৬০ শতাংশ কর্মী হতে হবে সৌদির Logo জামায়াতের পলিসি সামিটে ভারতসহ ৩০ দেশের প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে ‘না’ ভোটের আহ্বান জাবি শিক্ষিকার 

জুলাই গনঅভ্যুত্থান নিয়ে একাধিক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা এবং নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না থাকায় নিজের ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভোট বর্জনের আহ্বান করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক ওয়ালে এবং মন্তব্যের ঘরে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মন্তব্যে তিনি লিখেন, “এই সরকার দেশের ইতিহাসে অযোগ্যতম সরকার। তারা নিরপেক্ষতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের একটা বড় জনগোষ্ঠীর প্রতীক নির্বাচনে নেই। প্রবাসী ব্যালটে ইন্জিনিয়ারিং হয়েছে। অতএব, ভোট বর্জনই হোক একমাত্র প্রতিবাদ।”

এছাড়া ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন “প্রথম কথা এই মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন আমি দেখতেও কেন্দ্রে যেতাম না। দ্বিতীয়ত, ভুল করে যদি বুথ পর্যন্ত যেতাম তবে অবশ্যই “না”-তে একটা সিল দিয়ে আসতাম। যারা মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ধ্বংস করেছে, দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন নষ্ট করেছে, রাস্তায় গণপিটুনি দিয়ে মানুষ মারার বৈধতা দিয়েছে তাদের প্রতি “না” বলুন। অতএব, প্রথমত “নো” ভোট, দ্বিতীয়ত “না” ভোট। আপনারটা মনেমনে ঠিক করুন। লোকজনকে বলার দরকার নেই।”

এর আগে গতবছর ২৩ নভেম্বর জুলাই আন্দোলনে নিহত হওয়া মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন।

নিজের ফেসবুক ওয়ালে তিনি লেখেন, ‘কিছুদিন আগে একজন মেসেজ দিয়ে বলল, সবাই আবু সাঈদের কবরে যায়, কিন্তু মুগ্ধর কবরে যায় না কেন? আমি বললাম, কারণ, আবু সাঈদ জামায়াতের লোক ছিল, তাদের লোক ছিল। এরপর সে আমার উত্তরে হা হা রিয়েকশন দিল। হা হা রিয়েকশনের অর্থ তখন বুঝিনি। কাল একজন বলল, মুগ্ধর লাশ, কবরের নাকি হদিস পাওয়া যায়নি। মুগ্ধর পরিবার নাকি কোনো মামলাও করেনি। মুগ্ধর ভাই নাকি বিদেশে ঘুরেফিরে ছবি আপলোড করে বেড়াচ্ছে। আজ শুনলাম মুগ্ধ নাকি ফ্রান্সে। নিজের কানকে তো বিশ্বাস করতে পারছি না।’

জনপ্রিয়

কুবির একাউন্টটিং ক্লাবের সভাপতি ফাহমিদা বেগম, সম্পাদক আবু জাফর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে ‘না’ ভোটের আহ্বান জাবি শিক্ষিকার 

প্রকাশিত ১২:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই গনঅভ্যুত্থান নিয়ে একাধিক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা এবং নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না থাকায় নিজের ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভোট বর্জনের আহ্বান করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক ওয়ালে এবং মন্তব্যের ঘরে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মন্তব্যে তিনি লিখেন, “এই সরকার দেশের ইতিহাসে অযোগ্যতম সরকার। তারা নিরপেক্ষতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের একটা বড় জনগোষ্ঠীর প্রতীক নির্বাচনে নেই। প্রবাসী ব্যালটে ইন্জিনিয়ারিং হয়েছে। অতএব, ভোট বর্জনই হোক একমাত্র প্রতিবাদ।”

এছাড়া ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন “প্রথম কথা এই মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন আমি দেখতেও কেন্দ্রে যেতাম না। দ্বিতীয়ত, ভুল করে যদি বুথ পর্যন্ত যেতাম তবে অবশ্যই “না”-তে একটা সিল দিয়ে আসতাম। যারা মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ধ্বংস করেছে, দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন নষ্ট করেছে, রাস্তায় গণপিটুনি দিয়ে মানুষ মারার বৈধতা দিয়েছে তাদের প্রতি “না” বলুন। অতএব, প্রথমত “নো” ভোট, দ্বিতীয়ত “না” ভোট। আপনারটা মনেমনে ঠিক করুন। লোকজনকে বলার দরকার নেই।”

এর আগে গতবছর ২৩ নভেম্বর জুলাই আন্দোলনে নিহত হওয়া মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন।

নিজের ফেসবুক ওয়ালে তিনি লেখেন, ‘কিছুদিন আগে একজন মেসেজ দিয়ে বলল, সবাই আবু সাঈদের কবরে যায়, কিন্তু মুগ্ধর কবরে যায় না কেন? আমি বললাম, কারণ, আবু সাঈদ জামায়াতের লোক ছিল, তাদের লোক ছিল। এরপর সে আমার উত্তরে হা হা রিয়েকশন দিল। হা হা রিয়েকশনের অর্থ তখন বুঝিনি। কাল একজন বলল, মুগ্ধর লাশ, কবরের নাকি হদিস পাওয়া যায়নি। মুগ্ধর পরিবার নাকি কোনো মামলাও করেনি। মুগ্ধর ভাই নাকি বিদেশে ঘুরেফিরে ছবি আপলোড করে বেড়াচ্ছে। আজ শুনলাম মুগ্ধ নাকি ফ্রান্সে। নিজের কানকে তো বিশ্বাস করতে পারছি না।’