কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অধ্যয়নরত উত্তরবঙ্গের শিক্ষার্থীদের আঞ্চলিক সংগঠন উত্তরবঙ্গ ছাত্র পরিষদ -এর উদ্যোগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর ময়নামতি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী মিরাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস -উল ইসলাম বিদ্যুৎ, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোহাঃ হাবিবুর রহমান, আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রাকিব হাসান, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসেনা বেগম, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ হারুন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ সাদেকুজ্জামান ও সহকারী অধ্যাপক মোর্শেদ রায়হান, বার্ডের সহকারী পরিচালক মো. বাবু ও ফারুক হোসাইন, চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নিখিল চন্দ্র রায়, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রভাষক সৌরভী আলামিনসহ উত্তরবঙ্গ থেকে আগত বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও প্রবীণদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিভাগীয় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নবীন শিক্ষার্থী মো. হাশর বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসার পর নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে আমার কষ্ট হচ্ছিল এবং আপনজনের অভাব অনুভব করতাম। ঠিক তখনই উত্তরবঙ্গ ছাত্র পরিষদকে পাশে পেয়েছি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মিরাজ বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ ছাত্র পরিষদ শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি উত্তরবঙ্গ থেকে আগত সকল কুবিয়ানের জন্য একটি পরিবার ও আবেগের জায়গা। যেকোনো প্রয়োজনে এই সংগঠন সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে।’
বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস -উল ইসলাম বলেন ‘তোমরা এখানে মূলত পড়াশোনার জন্য এসেছো। নিজেকে উন্নত করার জন্য যেসব কাজ প্রয়োজন, সেগুলোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পড়াশোনাকে যদি জীবনের প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধরে রাখো, তাহলে তোমাদের ব্যক্তিগত মান আরও বৃদ্ধি পাবে।’
সংগঠনের সভাপতি মাহাবুর রহমান বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন উত্তরবঙ্গ ছাত্র পরিষদের সম্মিলিত সফলতা। এটি কোনো সাধারণ সংগঠন নয়, এটি আমাদের পরিবার। ভবিষ্যতেও আমরা সবাই একসঙ্গে থেকে আরও সুন্দর ও কার্যকর কর্মসূচির আয়োজন করব।’



















