ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ছাত্রদল নেতা এইচ এম আবু জাফর এর উদ্যোগে ১০০০ বৃক্ষরোপণ Logo জামায়াতের একজন প্রার্থী থাকলেও হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে – বিএনপি নেতা Logo তারেক রহমানের পরামর্শেই ফেসবুক প্রোফাইল লাল করা হয়: ছাত্রদল নেতা ফাহিম Logo বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় আউটলেট চালু করলো স্বপ্ন Logo রাকসু ভিপির হুমকির প্রতিবাদে পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নিন্দা  Logo শামীম জামানের স্ত্রী আমিনা লাবিবের অভিনয়ে অভিষেক Logo ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ ফাইনাল আসর বসছে ৮ আগস্ট Logo বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর বিশেষ ব্যাংকিং সুবিধা Logo আর্থিক কেলেঙ্কারি ও স্বাক্ষর জালিয়াতিসহ নানান অভিযোগে জবিরিইউ সভাপতি জাহাঙ্গীর বহিষ্কার Logo ছাত্রী হলে গোপন ভিডিওর জের ধরে অচলাবস্থায় খুবি, জরুরি সিন্ডিকেট সভা আজ

চৈত্র সংক্রান্তিতে জাকসুর উদ্যোগে “ভেলা বাইচ” আয়োজন 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা। প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা এই আয়োজনে বিজয়ী হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হল।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রঙ পুকুরে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি আবাসিক হল থেকে প্রতিটি হলে দু’জন করে শিক্ষার্থী নিয়ে মোট ১১টি দল অংশগ্রহণ করে।

প্রতিযোগিতাকে ঘিরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তোলে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় শহীদ সালাম-বরকত হল প্রথম স্থান অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন হয়। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে নবাব সলিমুল্লাহ হল এবং তৃতীয় হয় আ ফ ম কামালউদ্দিন হল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

এসময় জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “এই আয়োজনের সাফল্যের মূল শক্তি ছিল অংশগ্রহণকারী প্রতিটি হলের আন্তরিকতা, উদ্যম এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, তাদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি এবং উৎসবমুখর মনোভাব পুরো আয়োজনকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ দিয়ে এমন আয়োজন প্রাণ পায় না; বরং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা, দলগত চেতনা এবং নিজেদের সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসাই এ ধরনের আয়োজনকে অর্থবহ ও সফল করে তোলে।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন” এ ধরনের আয়োজন তাকে ভীষণভাবে আনন্দিত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। তিনি এটিকে একটি সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে তরুণদের এমন আগ্রহ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। অতীতে যেসব জায়গায় কিছুটা ঘাটতি ছিল, এ ধরনের আয়োজন সেগুলো পূরণে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।”

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, প্রক্টর এ কে এম রাশেদুল আলম, জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

ছাত্রদল নেতা এইচ এম আবু জাফর এর উদ্যোগে ১০০০ বৃক্ষরোপণ

চৈত্র সংক্রান্তিতে জাকসুর উদ্যোগে “ভেলা বাইচ” আয়োজন 

প্রকাশিত ০৮:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা। প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা এই আয়োজনে বিজয়ী হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হল।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রঙ পুকুরে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি আবাসিক হল থেকে প্রতিটি হলে দু’জন করে শিক্ষার্থী নিয়ে মোট ১১টি দল অংশগ্রহণ করে।

প্রতিযোগিতাকে ঘিরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তোলে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় শহীদ সালাম-বরকত হল প্রথম স্থান অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন হয়। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে নবাব সলিমুল্লাহ হল এবং তৃতীয় হয় আ ফ ম কামালউদ্দিন হল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

এসময় জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “এই আয়োজনের সাফল্যের মূল শক্তি ছিল অংশগ্রহণকারী প্রতিটি হলের আন্তরিকতা, উদ্যম এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, তাদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি এবং উৎসবমুখর মনোভাব পুরো আয়োজনকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ দিয়ে এমন আয়োজন প্রাণ পায় না; বরং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা, দলগত চেতনা এবং নিজেদের সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসাই এ ধরনের আয়োজনকে অর্থবহ ও সফল করে তোলে।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন” এ ধরনের আয়োজন তাকে ভীষণভাবে আনন্দিত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। তিনি এটিকে একটি সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে তরুণদের এমন আগ্রহ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। অতীতে যেসব জায়গায় কিছুটা ঘাটতি ছিল, এ ধরনের আয়োজন সেগুলো পূরণে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।”

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, প্রক্টর এ কে এম রাশেদুল আলম, জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।