ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম Logo জুরাইনে গুলিতে সিএনজি চালক হত্যা : প্রধান আসামি বাপ্পারাজ গ্রেফতার  Logo চলন্ত বাসে বাঙলা কলেজের ছাত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo জাবিতে ইংরেজি বিভাগের ক্লাসরুম সংকট সমাধানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায় Logo হাবিপ্রবি ছায়া জাতিসংঘের নেতৃত্বে নাবিলা-ফারিশতা Logo ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাশিয়ার Logo ছুটির বিকালে ঢাকার মধ্যে ঘুরতে পারেন ৫ স্থানে Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ‘ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী

বাংলাদেশে হাসিনা ও আওয়ামীলীগের জায়গা হবে না: ড. ইউনূস

নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অচিরেই কোনো জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো ফ্যাসিবাদী দলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করেছে, তারা (রাজনৈতিক) মেকানিজম তৈরি করেছে, তারা নিজ স্বার্থে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করেছে।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বর্তমান সরকার অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে ভারতকে চাপ দেবে না। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ তার বড় প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনা এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ হয়তো ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু তার সরকার এমন কিছু করবে না। কারণ, তারা রাজনৈতিক সরকার নয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণার পর ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। আমি মনে করি না যে রায় হওয়ার আগে এটা করার দরকার আছে।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বা রাজনৈতিক দল গঠনের কোনো ইচ্ছা নেই।

তিনি জানান, তার সরকার এখন পর্যন্ত নির্বাচনের রূপরেখাও চূড়ান্ত করেনি। তাদের কাজ সবকিছু স্বাভাবিক করা এবং সংস্কার সম্পন্ন করা। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করবেন।

সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিষয়ে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার কিছু ঘটনা ঘটেছে এবং খুব অল্পসংখ্যক প্রাণহানি হয়েছে। তবে এসব ঘটনা ধর্মের ভিত্তিতে হয়নি। এর প্রধান কারণ, আওয়ামী লীগের অনুসারী হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে। হামলার শিকার অধিকাংশ হিন্দু আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। এটাকে ভিন্ন রূপ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা প্রতিবেশী। আমাদের একে অপরের প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে অবশ্যই সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক থাকতে হবে, যেমনটি দুই প্রতিবেশীর থাকা উচিত।

জনপ্রিয়

যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম

বাংলাদেশে হাসিনা ও আওয়ামীলীগের জায়গা হবে না: ড. ইউনূস

প্রকাশিত ০১:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অচিরেই কোনো জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো ফ্যাসিবাদী দলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করেছে, তারা (রাজনৈতিক) মেকানিজম তৈরি করেছে, তারা নিজ স্বার্থে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করেছে।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বর্তমান সরকার অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে ভারতকে চাপ দেবে না। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ তার বড় প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনা এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ হয়তো ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু তার সরকার এমন কিছু করবে না। কারণ, তারা রাজনৈতিক সরকার নয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণার পর ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। আমি মনে করি না যে রায় হওয়ার আগে এটা করার দরকার আছে।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বা রাজনৈতিক দল গঠনের কোনো ইচ্ছা নেই।

তিনি জানান, তার সরকার এখন পর্যন্ত নির্বাচনের রূপরেখাও চূড়ান্ত করেনি। তাদের কাজ সবকিছু স্বাভাবিক করা এবং সংস্কার সম্পন্ন করা। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করবেন।

সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিষয়ে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার কিছু ঘটনা ঘটেছে এবং খুব অল্পসংখ্যক প্রাণহানি হয়েছে। তবে এসব ঘটনা ধর্মের ভিত্তিতে হয়নি। এর প্রধান কারণ, আওয়ামী লীগের অনুসারী হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে। হামলার শিকার অধিকাংশ হিন্দু আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। এটাকে ভিন্ন রূপ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা প্রতিবেশী। আমাদের একে অপরের প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে অবশ্যই সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক থাকতে হবে, যেমনটি দুই প্রতিবেশীর থাকা উচিত।