ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফাহাদ দাবিতে প্রকাশিত ছবির কিশোর অপ্রতিমের হত্যাকারী ফাহাদ নয়, তার নাম মাহিম Logo মানবাধিকার সুরক্ষা প্রশ্নে কথা রাখতে পারেনি বিএনপি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ Logo ৮৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ Logo ইসলামী ব্যাংকের বাংলা কিউআর লেনদেনে স্মার্টফোন জেতার সুযোগ Logo ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৬৭১ Logo বাকৃবি কারিগরি কর্মচারী সমিতির সভাপতি ওবায়দুর, সাধারণ সম্পাদক সুলতান Logo নীরব ঘাতক হৃদরোগ: যেসব সূক্ষ্ম লক্ষণ দেখে আগেই সতর্ক হবেন Logo পত্রিকা: ‘বোয়িংয়ের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ’ Logo জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের Logo ‘সাথী’ আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে: প্রিয়াঙ্কা

ফাহাদ দাবিতে প্রকাশিত ছবির কিশোর অপ্রতিমের হত্যাকারী ফাহাদ নয়, তার নাম মাহিম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ দাবি করে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে প্রকাশিত ‘গাঁজাসহ দেড় বছর আগে আসামি ফাহাদকে আটক করেছিলেন অপ্রতিমের মা’ একটি প্রতিবেদনে যে কিশোরের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি ফাহাদের ছবি নয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিতে থাকা কিশোরের নাম মিনহাজুল ইসলাম মাহিম।

বিষয়টি মাহিম নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তার বাড়ি কুমিল্লার কোটবাড়ির গাবতলিতে। তিনি জানান, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ফাহাদ দাবি করে প্রকাশিত ছবিটি তারই ছবি। তবে ছবিতে থাকা কিশোরটি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ নন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি অভিযান চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন চত্বর থেকে গাঁজাসহ বহিরাগত সাত কিশোরকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডি। সেখানে আটকৃত সাত জনের মধ্যে ফাহাদ নামের কেউ ছিলেন না।

কিন্তু গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, যুগান্তর সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রক্টর অফিসে আটকৃত মাহিমকে ইশায়াত শাহারিয়ার অপ্রতিম হত্যার আসামি ফাহাদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। এতে মাহিম বিব্রত বোধ করছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগছেন বলে জানান তিনি।

মাহিম বলেন, গতকাল থেকে নিউজে প্রকাশিত ছবিতে যে ছেলেকে ফাহাদ দাবি করা হচ্ছে সেটা আসলে ফাহাদ না। ওই ছবিটা আমার, আমি মিনহাজুল ইসলাম মাহিম। কোনো রকম যাচাই-বাছাই না করে এভাবে অন্যজনে ছবি প্রচার করা উচিত না।’

তিনি আরও বলেন, এই ছবিটা প্রকাশের পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমাকে সবাই ফোন দিচ্ছে, মেসেজ দিচ্ছে এতে আমি বিব্রতবোধ করছি। আমি চাই যারা এটা প্রচার করছে তারা যেন সেটা ডিলিট করে সত্যটা তুলে ধরে।’

সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান (রাহাত) বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি যে ৭জনকে আটক করা হয়েছিল তাদেরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ওখানে সাতজনের নাম আমার সঠিক মনে নাই। আমরা ডকুমেন্টসটাও খুঁজে পায়নি। তাই এখন সঠিকভাবে বলতে পারছি না সেখানে ফাহাদ নামের কেউ ছিল কিনা।’

জনপ্রিয়

ফাহাদ দাবিতে প্রকাশিত ছবির কিশোর অপ্রতিমের হত্যাকারী ফাহাদ নয়, তার নাম মাহিম

ফাহাদ দাবিতে প্রকাশিত ছবির কিশোর অপ্রতিমের হত্যাকারী ফাহাদ নয়, তার নাম মাহিম

প্রকাশিত ০২:২৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ দাবি করে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে প্রকাশিত ‘গাঁজাসহ দেড় বছর আগে আসামি ফাহাদকে আটক করেছিলেন অপ্রতিমের মা’ একটি প্রতিবেদনে যে কিশোরের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি ফাহাদের ছবি নয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিতে থাকা কিশোরের নাম মিনহাজুল ইসলাম মাহিম।

বিষয়টি মাহিম নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তার বাড়ি কুমিল্লার কোটবাড়ির গাবতলিতে। তিনি জানান, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ফাহাদ দাবি করে প্রকাশিত ছবিটি তারই ছবি। তবে ছবিতে থাকা কিশোরটি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ নন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি অভিযান চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন চত্বর থেকে গাঁজাসহ বহিরাগত সাত কিশোরকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডি। সেখানে আটকৃত সাত জনের মধ্যে ফাহাদ নামের কেউ ছিলেন না।

কিন্তু গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, যুগান্তর সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রক্টর অফিসে আটকৃত মাহিমকে ইশায়াত শাহারিয়ার অপ্রতিম হত্যার আসামি ফাহাদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। এতে মাহিম বিব্রত বোধ করছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগছেন বলে জানান তিনি।

মাহিম বলেন, গতকাল থেকে নিউজে প্রকাশিত ছবিতে যে ছেলেকে ফাহাদ দাবি করা হচ্ছে সেটা আসলে ফাহাদ না। ওই ছবিটা আমার, আমি মিনহাজুল ইসলাম মাহিম। কোনো রকম যাচাই-বাছাই না করে এভাবে অন্যজনে ছবি প্রচার করা উচিত না।’

তিনি আরও বলেন, এই ছবিটা প্রকাশের পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমাকে সবাই ফোন দিচ্ছে, মেসেজ দিচ্ছে এতে আমি বিব্রতবোধ করছি। আমি চাই যারা এটা প্রচার করছে তারা যেন সেটা ডিলিট করে সত্যটা তুলে ধরে।’

সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান (রাহাত) বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি যে ৭জনকে আটক করা হয়েছিল তাদেরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ওখানে সাতজনের নাম আমার সঠিক মনে নাই। আমরা ডকুমেন্টসটাও খুঁজে পায়নি। তাই এখন সঠিকভাবে বলতে পারছি না সেখানে ফাহাদ নামের কেউ ছিল কিনা।’