ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আফটার-সেলসে রিয়েলমির নতুন মানদণ্ডঃ এক্সক্লুসিভ ‘১ আওয়ার সার্ভিস Logo প্রথমবারের মতো স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর নিয়ে বাজারে এলো ইনফিনিক্স নোট ৬০ সিরিজ Logo রবি ওয়াইফাই কিনে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ Logo রিল বানিয়েই জেতা যাবে নতুন ভিভো স্মার্টফোন Logo খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কবি নজরুল কলেজে ছাত্র সংগঠনের সম্মানে শিবিরের ইফতার মাহফিল Logo জাবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত Logo উত্তরা ব্লাড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রক্ত সঞ্চালন ও নিরাপদ চর্চা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo কবি নজরুল কলেজের কর্মচারীদের মাঝে ছাত্রশিবিরের ঈদ উপহার বিতরণ Logo কবি নজরুল কলেজে গাইবান্ধা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
‘ভিত্তিহীন’ সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ

আরটিভিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের লিগ্যাল নোটিশ

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির অনলাইন সংস্করণে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের কারণে মানহানির অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা। শিবিরের পক্ষ থেকে এ নোটিশ পাঠান সংগঠনটির ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মো. তৌহিদ হাসান।

সোমবার (২০ অক্টোবর) তৌহিদ হাসানের পক্ষে এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম। নোটিশটি আরটিভির সিইও, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহা ব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ বিভাগ), সিনিয়র প্রোডিউসার, হেড অব নিউজ, পরিচালক, অনলাইন ইনচার্জ, হেড অব ডিএসএম, চিফ রিপোর্টার কে পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর ১২টা ১০ মিনিটে, “তথ্যগত বিভ্রান্তির কারণে সংবাদটি প্রত্যাহার করা হয়েছে” শিরোনামে একটি সংশোধনী প্রতিবেদন আরটিভির অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বব্যিালয়ে র‌্যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজন ছাত্রশিবিরের কর্মী। সংবাদটির মাধ্যমে ইসলামী ছাত্রশিবিরের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ ও ভাবমূর্তি নষ্ট করা হয়েছে।

নোটিশে তারা দাবি করেন, আরটিভি যে সংবাদ প্রকাশ করেছে, তা মিথ্যা, বানোয়াট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাংবাদিকতার নীতি বহির্ভূত। আরটিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাবিতে র‌্যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজন ছাত্রশিবিরের কর্মী। প্রকৃতপক্ষে এই তথ্য ভিত্তিহীন। এছাড়াও সংবাদটি প্রকাশের আগে শিবিরের দায়িত্বশীল, বিশ্বব্যিালয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কারও মতামত নেওয়া হয়নি, যা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির পরিপন্থী। আরটিভির এক প্রতিবেদক সত্য সংবাদ প্রচার করায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে দৃশ্যমান হয়।

আরটিভি থেকে প্রত্যাহারকৃত সংবাদটি একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে দাবি করে শিবির নোটিশে উল্লেখ করে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আরটিভি’র এই ‘সংশোধনী’ আসলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ বিকৃতি, যা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা।, একই ঘটনার খবর দৈনিক জনকণ্ঠ, ঢাকা ভয়েস ২৪ ও দৈনিক সংগ্রামসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়— “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো সদস্য জড়িত নয়।” তারা আরও উল্লেখ করেন যে, এমনকি ১৭ অক্টোবর শিবিরের প্রচার সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়।

নোটিশ পাঠানোর পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে প্রচারিত সংশোধনী প্রতিবেদনটি প্রত্যারপূর্বক শিবিরের কাছে ক্ষমা না চাইলে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হবে বলে নোটিশে বলা হয়।

এ বিষয়ে নোটিশ প্রেরণকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল সৈয়দ আশিক রহমানসহ মোট নয়জনকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি জমা দেওয়া হলেও প্রাপকরা তা গ্রহণ করেছেন কিনা, সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। গত ১৪ই অক্টোবর “তথ্যগত বিভ্রান্তির” নামে একটি সংবাদ প্রতিবেদন কর্তন করেছে। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও সেক্রেটারি যৌথভাবে নিন্দা জানানোর পরেও তাদের প্রতিবেদনে শিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে। অন্যান্য পত্রিকা যেমন দৈনিক জনকণ্ঠ ও সংগ্রাম, এবং এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ভিকটিমও শিবিরের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি সমর্থন করেনি। আরটিভি ভুল তথ্য প্রচার করেছে এবং র‌্যাগিংয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা শিবিরের নয় এ সংবাদ প্রচার করা রিপোর্টারকে বহিষ্কার করেছে। ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে এরকম ঘটনা শিবির আশা করেনা।

তবে এবিষয়ে বক্তব্য জানতে আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলুকে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি।

জনপ্রিয়

আফটার-সেলসে রিয়েলমির নতুন মানদণ্ডঃ এক্সক্লুসিভ ‘১ আওয়ার সার্ভিস

‘ভিত্তিহীন’ সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ

আরটিভিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের লিগ্যাল নোটিশ

প্রকাশিত ০৮:১৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির অনলাইন সংস্করণে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের কারণে মানহানির অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা। শিবিরের পক্ষ থেকে এ নোটিশ পাঠান সংগঠনটির ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মো. তৌহিদ হাসান।

সোমবার (২০ অক্টোবর) তৌহিদ হাসানের পক্ষে এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম। নোটিশটি আরটিভির সিইও, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহা ব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ বিভাগ), সিনিয়র প্রোডিউসার, হেড অব নিউজ, পরিচালক, অনলাইন ইনচার্জ, হেড অব ডিএসএম, চিফ রিপোর্টার কে পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর ১২টা ১০ মিনিটে, “তথ্যগত বিভ্রান্তির কারণে সংবাদটি প্রত্যাহার করা হয়েছে” শিরোনামে একটি সংশোধনী প্রতিবেদন আরটিভির অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বব্যিালয়ে র‌্যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজন ছাত্রশিবিরের কর্মী। সংবাদটির মাধ্যমে ইসলামী ছাত্রশিবিরের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ ও ভাবমূর্তি নষ্ট করা হয়েছে।

নোটিশে তারা দাবি করেন, আরটিভি যে সংবাদ প্রকাশ করেছে, তা মিথ্যা, বানোয়াট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাংবাদিকতার নীতি বহির্ভূত। আরটিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাবিতে র‌্যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজন ছাত্রশিবিরের কর্মী। প্রকৃতপক্ষে এই তথ্য ভিত্তিহীন। এছাড়াও সংবাদটি প্রকাশের আগে শিবিরের দায়িত্বশীল, বিশ্বব্যিালয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কারও মতামত নেওয়া হয়নি, যা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির পরিপন্থী। আরটিভির এক প্রতিবেদক সত্য সংবাদ প্রচার করায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে দৃশ্যমান হয়।

আরটিভি থেকে প্রত্যাহারকৃত সংবাদটি একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে দাবি করে শিবির নোটিশে উল্লেখ করে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আরটিভি’র এই ‘সংশোধনী’ আসলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ বিকৃতি, যা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা।, একই ঘটনার খবর দৈনিক জনকণ্ঠ, ঢাকা ভয়েস ২৪ ও দৈনিক সংগ্রামসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়— “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো সদস্য জড়িত নয়।” তারা আরও উল্লেখ করেন যে, এমনকি ১৭ অক্টোবর শিবিরের প্রচার সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়।

নোটিশ পাঠানোর পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে প্রচারিত সংশোধনী প্রতিবেদনটি প্রত্যারপূর্বক শিবিরের কাছে ক্ষমা না চাইলে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হবে বলে নোটিশে বলা হয়।

এ বিষয়ে নোটিশ প্রেরণকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল সৈয়দ আশিক রহমানসহ মোট নয়জনকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি জমা দেওয়া হলেও প্রাপকরা তা গ্রহণ করেছেন কিনা, সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। গত ১৪ই অক্টোবর “তথ্যগত বিভ্রান্তির” নামে একটি সংবাদ প্রতিবেদন কর্তন করেছে। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও সেক্রেটারি যৌথভাবে নিন্দা জানানোর পরেও তাদের প্রতিবেদনে শিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে। অন্যান্য পত্রিকা যেমন দৈনিক জনকণ্ঠ ও সংগ্রাম, এবং এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ভিকটিমও শিবিরের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি সমর্থন করেনি। আরটিভি ভুল তথ্য প্রচার করেছে এবং র‌্যাগিংয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা শিবিরের নয় এ সংবাদ প্রচার করা রিপোর্টারকে বহিষ্কার করেছে। ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে এরকম ঘটনা শিবির আশা করেনা।

তবে এবিষয়ে বক্তব্য জানতে আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলুকে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি।