ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন Logo বিয়ের দাবিতে ১০ দিন অনশন, অবশেষে প্রেমিকের নামে মামলা Logo গাইবান্ধায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ৩ ককটেল বিস্ফোরণ Logo মস্কোয় সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন Logo আহত ফিলিস্তিনিকে হত্যাকারী ইসরায়েলি সেনাকে ক্ষমা করেছেন প্রেসিডেন্ট Logo নোট অব ডিসেন্টসহ জুলাই সনদ হুবহু বাস্তবায়ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo টাঙ্গাইলে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা Logo একই সাথে সুরক্ষা আর সঞ্চয়ের সুবিধা দিবে মেটলাইফের নতুন স্বাস্থ্যবীমা Logo পিক্সেল থেকে পার্সপেক্টিভ: তরুণ ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলারদের একত্রিত করতে হাত মেলালো অপো ও বিইউপি Logo প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে সঙ্গী ৩৫ জন

জাবিতে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের আয়োজনে ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম।

সভায় আলোচকের বক্তব্যে মাজহারুল ইসলাম বলেন, মানুষ কৌতুহল থেকে মাদক গ্রহণ করে। একবার মাদকাসক্ত হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা কঠিন। ছোট মাদক গ্রহণের মধ্য দিয়ে মাদকে প্রবেশ শুরু হয়। এরপর সে মাদকের বিভিন্ন দ্রব্যে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আসক্তদের সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। এ জন্য মাদক থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে উত্তম।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, একেকজন মানুষ একেকটি স্বপ্ন। পিতা-মাতার এই স্বপ্ন পূরণে লক্ষ্যচ্যুত হওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, সঙ্গ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না, যাতে স্বভাবে নেতিবাচক পরিবর্তন আসে। মাদকাসক্তরা বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত। এ জন্য সব সময় মাদক ও মাদক সংশ্লিষ্টদের থেকে দূরে থাকতে হবে। নিজে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার পাশাপাশি সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিদেরও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয়

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন

জাবিতে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশিত ১০:২৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের আয়োজনে ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম।

সভায় আলোচকের বক্তব্যে মাজহারুল ইসলাম বলেন, মানুষ কৌতুহল থেকে মাদক গ্রহণ করে। একবার মাদকাসক্ত হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা কঠিন। ছোট মাদক গ্রহণের মধ্য দিয়ে মাদকে প্রবেশ শুরু হয়। এরপর সে মাদকের বিভিন্ন দ্রব্যে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আসক্তদের সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। এ জন্য মাদক থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে উত্তম।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, একেকজন মানুষ একেকটি স্বপ্ন। পিতা-মাতার এই স্বপ্ন পূরণে লক্ষ্যচ্যুত হওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, সঙ্গ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না, যাতে স্বভাবে নেতিবাচক পরিবর্তন আসে। মাদকাসক্তরা বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত। এ জন্য সব সময় মাদক ও মাদক সংশ্লিষ্টদের থেকে দূরে থাকতে হবে। নিজে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার পাশাপাশি সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিদেরও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।