ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অবশেষে ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি পেল বেঙ্গালুরুর ‘ট্র্যাজিক’ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

জাবিতে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের আয়োজনে ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম।

সভায় আলোচকের বক্তব্যে মাজহারুল ইসলাম বলেন, মানুষ কৌতুহল থেকে মাদক গ্রহণ করে। একবার মাদকাসক্ত হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা কঠিন। ছোট মাদক গ্রহণের মধ্য দিয়ে মাদকে প্রবেশ শুরু হয়। এরপর সে মাদকের বিভিন্ন দ্রব্যে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আসক্তদের সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। এ জন্য মাদক থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে উত্তম।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, একেকজন মানুষ একেকটি স্বপ্ন। পিতা-মাতার এই স্বপ্ন পূরণে লক্ষ্যচ্যুত হওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, সঙ্গ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না, যাতে স্বভাবে নেতিবাচক পরিবর্তন আসে। মাদকাসক্তরা বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত। এ জন্য সব সময় মাদক ও মাদক সংশ্লিষ্টদের থেকে দূরে থাকতে হবে। নিজে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার পাশাপাশি সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিদেরও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয়

অবশেষে ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি পেল বেঙ্গালুরুর ‘ট্র্যাজিক’ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম

জাবিতে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশিত ১০:২৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের আয়োজনে ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জাহাঙ্গীরনগর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম।

সভায় আলোচকের বক্তব্যে মাজহারুল ইসলাম বলেন, মানুষ কৌতুহল থেকে মাদক গ্রহণ করে। একবার মাদকাসক্ত হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা কঠিন। ছোট মাদক গ্রহণের মধ্য দিয়ে মাদকে প্রবেশ শুরু হয়। এরপর সে মাদকের বিভিন্ন দ্রব্যে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আসক্তদের সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। এ জন্য মাদক থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে উত্তম।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, একেকজন মানুষ একেকটি স্বপ্ন। পিতা-মাতার এই স্বপ্ন পূরণে লক্ষ্যচ্যুত হওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, সঙ্গ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না, যাতে স্বভাবে নেতিবাচক পরিবর্তন আসে। মাদকাসক্তরা বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত। এ জন্য সব সময় মাদক ও মাদক সংশ্লিষ্টদের থেকে দূরে থাকতে হবে। নিজে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার পাশাপাশি সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিদেরও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।