সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডুয়েল কারেন্সি কো-ব্র্যান্ডেড স্পেশাল স্টুডেন্ট ডেবিট কার্ড পাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সৌজন্যে সম্পূর্ণ কাস্টমাইজ ডিজাইনে এই সুবিধা পাচ্ছে তারা। শিক্ষার্থীদের অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পেইন বুথ স্থাপন করেছে ইসলামী ব্যাংক। এতে প্রায় এক হাজার ইবি শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে তাদের প্রোফাইল আপডেট করেছেন। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা কোনো প্রকার চার্জ ছাড়াই ব্যাংকিং সেবা ও ফি পেমেন্টের সুবিধা পাচ্ছেন।
সোমবার থেকে বুধবার (১৯-২১ জানুয়ারি) তিন দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে সেবা প্রদান কার্যক্রম শেষে আরো তিন দিন বৃদ্ধি করা হয়। এর ফলে আগামী রবি, সোম ও বুধবারে এসব সেবা গ্রহণ করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, গত বছরের ৮ই নভেম্বর শিক্ষার্থীদের পেমেন্ট ভোগান্তি নিরসনের লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ডিজিটাল পেমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তারই প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের ফ্রি ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান কার্যক্রম সহজলভ্য করতে ক্যাম্পেইন বুথ স্থাপন করেছে ইসলামী ব্যাংক। যেখানে চার্জমুক্ত ব্যাংকিং, ডুয়েল কারেন্সি কো-ব্র্যান্ডেড কার্ড, সহজ একাউন্ট সুবিধা, তাৎক্ষণিক ভার্চুয়াল কার্ডসহ নানান সুবিধা প্রদান করা হয়।

ইসলামী ব্যাংকের সমন্বয়কারী কর্মকর্তা অভিযাত্রাকে বলেন, “প্রায় এক হাজার ইবি শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে তাদের প্রোফাইল আপডেট করেছেন। এই উদ্যোগের আওতায় শিক্ষার্থীরা কোনো প্রকার চার্জ ছাড়াই ব্যাংকিং সেবা ও ফি পেমেন্টের সুবিধা পাচ্ছেন। তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সম্বলিত একটি বিশেষ ডুয়েল কারেন্সি কো-ব্র্যান্ডেড ভিসা ডেবিট কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা সাধারণত বছরে ৮০০ টাকা চার্জের বিনিময়ে পাওয়া যায়। এছাড়া সেলফিন অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে একটি ভার্চুয়াল কার্ডও পাচ্ছেন। তারা যেকোনো ব্রাঞ্চ থেকে সহজে একাউন্ট খুলতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক সার্ভারে নিবন্ধিত হয়ে কার্ডটি হাতে পেতে প্রায় দশ দিন সময় লাগবে।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “দীর্ঘদিন পরে হলেও ইসলামী ব্যাংকের সৌজন্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ইবি শিক্ষার্থীরা পেমেন্ট করতে পারবে। এজন্য আমরা ইসলামী ব্যাংককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি মনে করি আজকের আধুনিক যুগে ইবি শিক্ষার্থীরা এই সুযোগগুলো ব্যবহার করে তাদের লেনদেনের কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। এক্ষেত্রে তাদের সময় খরচ কম হবে, কাজ ট্রান্সপারেন্ট হবে এবং তাদের কোন বাড়তি ঝামেলাও পোহাতে হবে না।”



















