ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! Logo মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন মিগেল আলমিরন Logo ভিনিসিয়ুস-কুনহার নৈপুণ্যে হাইতিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয় Logo ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় তরুণদের সঙ্গে ভিভোর দৃঢ় সংযোগ Logo মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ Logo ইশরাকের উদ্যোগে কবি নজরুল কলেজে ছাত্রদলের এলইডি স্ক্রিন স্থাপন Logo প্রবাসীর বউ নিয়ে গেল ‘জিনের বাদশা’ Logo ঢাকার মাদরাসায় মিলল ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র Logo বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির রোডম্যাপ হিসেবে ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে আইবিএফবি Logo ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গোবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা আন্দোলনের মহান শহিদদের স্মরণে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে।

একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ক্যাম্পাসের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অর্ধনমিত রাখা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়ে শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সকাল ৮টা থেকে সকল অনুষদ, বিভাগ, আবাসিক হল, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
এদিকে শহিদদের স্মরণে বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, পৃথিবীর অনেক ভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে বাংলা ভাষা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। যার পিছনে অবদান রেখেছেন ভাষা শহিদরা। এ ভাষার আধুনিকায়ন ঘটলেও বাংলা ভাষার মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষায় পর্যাপ্ত বইয়ের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রায় সব বই ইংরেজি পড়তে হয়। আমাদের সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি করতে গবেষকদের আরো কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধির জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্র চালু করার চেষ্টা করছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, আধুনিক যুগে মানুষের মত প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো তার মাতৃভাষা। মাতৃভাষা রক্ষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের অবদান বাঙালি জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। তিনি আরো বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির চেতনার একটি জায়গা। একুশই আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়তে পথ দেখিয়েছে।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দিবস উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মাদ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন মানবিকী অনুষদের ডিন মো. আব্দুর রহমান, এএসভিএম অনুষদের ডিন ড. মাহবুব হাসান, রেজিস্ট্রার মোঃ এনামউজ্জামান, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব, ছাত্র পরামর্শ নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মোঃ বদরুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতা বিজয়ীদের হাতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দিবসের কর্মসূচি হিসেবে মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগকৃত সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল ও বিকেলে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

জনপ্রিয়

আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে!

গোবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

প্রকাশিত ১১:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা আন্দোলনের মহান শহিদদের স্মরণে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে।

একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ক্যাম্পাসের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অর্ধনমিত রাখা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়ে শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সকাল ৮টা থেকে সকল অনুষদ, বিভাগ, আবাসিক হল, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
এদিকে শহিদদের স্মরণে বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, পৃথিবীর অনেক ভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে বাংলা ভাষা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। যার পিছনে অবদান রেখেছেন ভাষা শহিদরা। এ ভাষার আধুনিকায়ন ঘটলেও বাংলা ভাষার মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষায় পর্যাপ্ত বইয়ের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রায় সব বই ইংরেজি পড়তে হয়। আমাদের সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি করতে গবেষকদের আরো কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধির জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্র চালু করার চেষ্টা করছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, আধুনিক যুগে মানুষের মত প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো তার মাতৃভাষা। মাতৃভাষা রক্ষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের অবদান বাঙালি জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। তিনি আরো বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির চেতনার একটি জায়গা। একুশই আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়তে পথ দেখিয়েছে।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দিবস উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মাদ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন মানবিকী অনুষদের ডিন মো. আব্দুর রহমান, এএসভিএম অনুষদের ডিন ড. মাহবুব হাসান, রেজিস্ট্রার মোঃ এনামউজ্জামান, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব, ছাত্র পরামর্শ নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মোঃ বদরুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতা বিজয়ীদের হাতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দিবসের কর্মসূচি হিসেবে মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগকৃত সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল ও বিকেলে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।