ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন: জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা নিয়ে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন  Logo রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট Logo কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ‘আমি প্রবাসী’ ও ‘কে-ভিলেজ’-এর চুক্তি Logo জাবিতে রসায়ন সংসদের সহ-সভাপতি রিয়াদ, সম্পাদক কনক Logo পদোন্নতি বোর্ডে দীর্ঘ স্থবিরতা, ববিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ Logo কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক কমিটিতে কুবির দুই শিক্ষক Logo প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় জাবিতে ডিআইএসের যাত্রা শুরু Logo মহানবীকে (সা.)–কে কটূক্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন চান সংসদ সদস্য হানজালা Logo নববর্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ববি ছাত্রদলের Logo শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ই-সিগারেট আসক্তি, নিষিদ্ধের দাবি

জাবিতে ধর্ষক তরিকুলের বিচার দাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৫৩তম ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীর উপর সংঘটিত ধর্ষণ, নিপীড়ন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে অভিযুক্ত এস এম তারিকুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়।

রবিবার (১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান পয়েন্ট থেকে ভিসির বাসভবন পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা।

অংশগ্রহণকারীরা হাতে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন, যেখানে নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলে ধরা হয়।

বিক্ষোভে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করে এবং যেখানে প্রশাসন নিজেদেরকে নারীবান্ধব বলে দাবি করে, সেই ক্যাম্পাসেই একজন নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর আটকে রেখে অমানবিক ও নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। অথচ এমন গুরুতর ঘটনার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ও শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে না। এতে স্পষ্ট হয় যে, প্রশাসন নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণে ব্যর্থ হচ্ছে।”

নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম ফারাবী বলেন, “এ ঘটনার ৫-৬ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কেন অভিযুক্ত ধর্ষক তারিকুলকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এমন গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বারবার শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলছে। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত অভিযুক্ত তারিকুলকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা নারী শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে যাব।”

জনপ্রিয়

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন: জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা নিয়ে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন 

জাবিতে ধর্ষক তরিকুলের বিচার দাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ 

প্রকাশিত ০১:৪৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৫৩তম ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীর উপর সংঘটিত ধর্ষণ, নিপীড়ন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে অভিযুক্ত এস এম তারিকুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়।

রবিবার (১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান পয়েন্ট থেকে ভিসির বাসভবন পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা।

অংশগ্রহণকারীরা হাতে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন, যেখানে নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলে ধরা হয়।

বিক্ষোভে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করে এবং যেখানে প্রশাসন নিজেদেরকে নারীবান্ধব বলে দাবি করে, সেই ক্যাম্পাসেই একজন নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর আটকে রেখে অমানবিক ও নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। অথচ এমন গুরুতর ঘটনার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ও শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে না। এতে স্পষ্ট হয় যে, প্রশাসন নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণে ব্যর্থ হচ্ছে।”

নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম ফারাবী বলেন, “এ ঘটনার ৫-৬ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কেন অভিযুক্ত ধর্ষক তারিকুলকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এমন গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বারবার শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলছে। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত অভিযুক্ত তারিকুলকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা নারী শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে যাব।”