ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ‘আমি প্রবাসী’ ও ‘কে-ভিলেজ’-এর চুক্তি Logo জাবিতে রসায়ন সংসদের সহ-সভাপতি রিয়াদ, সম্পাদক কনক Logo পদোন্নতি বোর্ডে দীর্ঘ স্থবিরতা, ববিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ Logo কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক কমিটিতে কুবির দুই শিক্ষক Logo প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় জাবিতে ডিআইএসের যাত্রা শুরু Logo মহানবীকে (সা.)–কে কটূক্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন চান সংসদ সদস্য হানজালা Logo নববর্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ববি ছাত্রদলের Logo শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ই-সিগারেট আসক্তি, নিষিদ্ধের দাবি Logo মেয়ে সেজে প্রতারণা ও যৌন সহিংসতা, ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’ গ্রেপ্তার Logo বৈশাখী উল্লাসে ভিভো স্টোর: সাথে একদিনের ম্যানেজার তাহসান

কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ‘আমি প্রবাসী’ ও ‘কে-ভিলেজ’-এর চুক্তি

বাংলাদেশে আগ্রহী শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ আরও সহজলভ্য করতে ‘কে-ভিলেজ’-এর সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল মাইগ্রেশন প্ল্যাটফর্ম ‘আমি প্রবাসী’।

‘আমি প্রবাসী’ দেশের প্রথম প্ল্যাটফর্ম যা আধুনিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানের মাধ্যমে অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ‘কে-ভিলেজ’ দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে একটি বিশেষায়িত শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।

এই উদ্যোগের আওতায়, ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ ব্যবহারকারীরা সরাসরি কে-ভিলেজের অনলাইন এবং অফলাইন কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্যই এই কোর্সগুলো বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় (নেটিভ) প্রশিক্ষকরা এই কোর্সগুলো পরিচালনা করবেন, যারা কোরিয়ান ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ও বাংলাতেও দক্ষ।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ যুক্ত করে বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য নিজেদের সেবামূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করল ‘আমি প্রবাসী’। এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ব্যবহারকারীরা ক্যারিয়ারের উপযোগী ও সুশৃঙ্খল কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার রিসোর্সগুলো সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

‘আমি প্রবাসী’-র হেড অব অপারেশনস অ্যান্ড সেলস জনাব আহসানুল হক এবং ‘কে-ভিলেজ’-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মার্টিন কউন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে ‘আমি প্রবাসী’-র হেড অব মার্কেটিং জনাব ইনাম আহমদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উভয় প্রতিষ্ঠানই আশা প্রকাশ করেছে যে, এই অংশীদারিত্ব দক্ষিণ কোরিয়ায় গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের আরও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশে মানসম্মত ভাষা শিক্ষার প্রসার ঘটাবে।

জনপ্রিয়

কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ‘আমি প্রবাসী’ ও ‘কে-ভিলেজ’-এর চুক্তি

কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ‘আমি প্রবাসী’ ও ‘কে-ভিলেজ’-এর চুক্তি

প্রকাশিত ০৪:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে আগ্রহী শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ আরও সহজলভ্য করতে ‘কে-ভিলেজ’-এর সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল মাইগ্রেশন প্ল্যাটফর্ম ‘আমি প্রবাসী’।

‘আমি প্রবাসী’ দেশের প্রথম প্ল্যাটফর্ম যা আধুনিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানের মাধ্যমে অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ‘কে-ভিলেজ’ দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে একটি বিশেষায়িত শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।

এই উদ্যোগের আওতায়, ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ ব্যবহারকারীরা সরাসরি কে-ভিলেজের অনলাইন এবং অফলাইন কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্যই এই কোর্সগুলো বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় (নেটিভ) প্রশিক্ষকরা এই কোর্সগুলো পরিচালনা করবেন, যারা কোরিয়ান ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ও বাংলাতেও দক্ষ।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ যুক্ত করে বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য নিজেদের সেবামূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করল ‘আমি প্রবাসী’। এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ব্যবহারকারীরা ক্যারিয়ারের উপযোগী ও সুশৃঙ্খল কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার রিসোর্সগুলো সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

‘আমি প্রবাসী’-র হেড অব অপারেশনস অ্যান্ড সেলস জনাব আহসানুল হক এবং ‘কে-ভিলেজ’-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মার্টিন কউন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে ‘আমি প্রবাসী’-র হেড অব মার্কেটিং জনাব ইনাম আহমদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উভয় প্রতিষ্ঠানই আশা প্রকাশ করেছে যে, এই অংশীদারিত্ব দক্ষিণ কোরিয়ায় গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের আরও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশে মানসম্মত ভাষা শিক্ষার প্রসার ঘটাবে।