ঢাকা ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ হেফাজত থেকে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক, জানালেন কৃতজ্ঞতা Logo ঐশ্বরিয়াকে পাঁচ সিনেমা থেকে বাদ দিয়েছিলেন শাহরুখ, নতুন করে আলোচনায় পুরোনো সাক্ষাৎকার Logo একটা দিন কিছু না করে কাটালে কী হয়, বার্নআউট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব? Logo পাজের আলোয় নতুন যুগে চার গোল করা আর্জেন্টিনা Logo একটি ডিম প্রায় ১৫ টাকা, হালি ৫৫ টাকা Logo ‘গেম অব থ্রোনস’ সিনেমা মুক্তি পাবে ২০২৯ সালে Logo সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বিধিনিষেধে কোন ধরনের পরিবর্তন আসছে? Logo যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা: চেভেনিং বৃত্তিতে পড়ার সুযোগ Logo আজ বাংলাদেশের ইন্দোনেশিয়া পরীক্ষা Logo ভারতে মসজিদ-মাদরাসা ধ্বংসের আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চাইল শিবির

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ইরানের অবস্থানকে দুর্বল করবে: ইরানি আইনপ্রণেতা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের আলোচনায় অংশ না নেওয়ার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটির একজন শীর্ষস্থানীয় আইনপ্রণেতা মন্তব্য করেছেন যে, এ মুহূর্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপে বসলে তা তেহরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত দর-কষাকষির অবস্থানকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দেবে। ইরানের গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

ইব্রাহিম রেজায়ি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো দ্বিপক্ষীয় সংলাপে জড়াবে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার বিষয়টিকে তিনি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে এই ধরনের উদ্যোগ মার্কিন প্রশাসনকে ইরানের ওপর বৈরী নীতি ও চাপ অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করবে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, উভয় দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যোগাযোগ বা আলোচনা নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। মার্কিন কর্মকর্তারা সম্প্রতি এই বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন বলেও খবর প্রকাশ পায়। একই সময়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নিউইয়র্ক সফরে গিয়ে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তবে তেহরানের নীতিনির্ধারকরা এই মধ্যস্থতা বা আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। ইরানি আইনপ্রণেতার বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতার শর্ত বাস্তবায়িত না হলে যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো মধ্যস্থতাকারীর কূটনৈতিক পদক্ষেপে সহজে সাড়া দেবে না ইরান। দেশটির সরকার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় চাপ মোকাবিলায় নিজেদের শর্তে অটল থাকার নীতি অনুসরণ করছে।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ হেফাজত থেকে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক, জানালেন কৃতজ্ঞতা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ইরানের অবস্থানকে দুর্বল করবে: ইরানি আইনপ্রণেতা

প্রকাশিত ০৪:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের আলোচনায় অংশ না নেওয়ার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটির একজন শীর্ষস্থানীয় আইনপ্রণেতা মন্তব্য করেছেন যে, এ মুহূর্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপে বসলে তা তেহরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত দর-কষাকষির অবস্থানকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দেবে। ইরানের গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

ইব্রাহিম রেজায়ি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো দ্বিপক্ষীয় সংলাপে জড়াবে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার বিষয়টিকে তিনি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে এই ধরনের উদ্যোগ মার্কিন প্রশাসনকে ইরানের ওপর বৈরী নীতি ও চাপ অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করবে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, উভয় দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যোগাযোগ বা আলোচনা নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। মার্কিন কর্মকর্তারা সম্প্রতি এই বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন বলেও খবর প্রকাশ পায়। একই সময়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নিউইয়র্ক সফরে গিয়ে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তবে তেহরানের নীতিনির্ধারকরা এই মধ্যস্থতা বা আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। ইরানি আইনপ্রণেতার বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতার শর্ত বাস্তবায়িত না হলে যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো মধ্যস্থতাকারীর কূটনৈতিক পদক্ষেপে সহজে সাড়া দেবে না ইরান। দেশটির সরকার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় চাপ মোকাবিলায় নিজেদের শর্তে অটল থাকার নীতি অনুসরণ করছে।