ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ Logo ওয়েলসে মিলল রোমান দুর্গ: সত্যি ছিল সম্রাটের ঘাঁটির উপাখ্যান Logo বিরোধী দল না এলেও সংবিধান সংশোধন করতে হবে: সালাহউদ্দিন Logo হেনস্তার ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. ইউনূস, জানালেন সফরসঙ্গী Logo ঢাকা-কুমিল্লা ‘এলিভেটেড কর্ডলাইন’ হচ্ছে, সময় কমবে ২ ঘণ্টা: উপদেষ্টা জাহেদ Logo ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে বের করে আনা হলো চুয়েট উপাচার্যকে Logo রূপকথার ডাইনিরা কেন ঝাড়ুতে চড়ে উড়ে বেড়ায়?

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা: চেভেনিং বৃত্তিতে পড়ার সুযোগ

যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের নিকট অন্যতম কাঙ্ক্ষিত সুযোগ হলো চেভেনিং স্কলারশিপ। বাংলাদেশসহ অনেক দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই আন্তর্জাতিক বৃত্তি কর্মসূচির জন্য আবেদন করার সুযোগ পান। মূলত যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস এবং বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের যৌথ অর্থায়নে এই বৃত্তি পরিচালিত হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছরের জন্য মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পেয়ে থাকেন।

এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং পড়াশোনা শেষ করে নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর অবস্থানের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যুক্তরাজ্যের উচ্চতর দ্বিতীয় শ্রেণির অনার্স ডিগ্রির সমমানের স্নাতক ডিগ্রি থাকা আবশ্যক, যা সাধারণত প্রথম শ্রেণি বা সিজিপিএ স্কেলে কমপক্ষে ৩-এর সমতুল্য। এছাড়া মূল পেশাগত কাজ, ইন্টার্নশিপ কিংবা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমসহ অন্তত দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরীক্ষায় আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর অর্জনের শর্তও পূরণ করতে হবে।

চেভেনিং বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান করা হয়। পড়াশোনার শহরের ওপর ভিত্তি করে এই ভাতার পরিমাণে তারতম্য হতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে যাতায়াতের বিমানভাড়া, আগমনকালীন প্রাথমিক খরচ, ভিসা আবেদন ফি এবং যুক্তরাজ্যে প্রবেশের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন হলে তার খরচও ফেরত দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত শিক্ষাবৃত্তি হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সমাদৃত।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা শর্ত সাপেক্ষে বৃত্তির অফার পান এবং পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্তত একটি থেকে নিঃশর্ত ভর্তির অনুমতি নিশ্চিত করতে হয়। ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর চূড়ান্ত মার্কশিট, পাসপোর্ট এবং সুপারিশপত্রসহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।

জনপ্রিয়

ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা: চেভেনিং বৃত্তিতে পড়ার সুযোগ

প্রকাশিত ০৭:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের নিকট অন্যতম কাঙ্ক্ষিত সুযোগ হলো চেভেনিং স্কলারশিপ। বাংলাদেশসহ অনেক দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই আন্তর্জাতিক বৃত্তি কর্মসূচির জন্য আবেদন করার সুযোগ পান। মূলত যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস এবং বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের যৌথ অর্থায়নে এই বৃত্তি পরিচালিত হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছরের জন্য মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পেয়ে থাকেন।

এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং পড়াশোনা শেষ করে নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর অবস্থানের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যুক্তরাজ্যের উচ্চতর দ্বিতীয় শ্রেণির অনার্স ডিগ্রির সমমানের স্নাতক ডিগ্রি থাকা আবশ্যক, যা সাধারণত প্রথম শ্রেণি বা সিজিপিএ স্কেলে কমপক্ষে ৩-এর সমতুল্য। এছাড়া মূল পেশাগত কাজ, ইন্টার্নশিপ কিংবা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমসহ অন্তত দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরীক্ষায় আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর অর্জনের শর্তও পূরণ করতে হবে।

চেভেনিং বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান করা হয়। পড়াশোনার শহরের ওপর ভিত্তি করে এই ভাতার পরিমাণে তারতম্য হতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে যাতায়াতের বিমানভাড়া, আগমনকালীন প্রাথমিক খরচ, ভিসা আবেদন ফি এবং যুক্তরাজ্যে প্রবেশের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন হলে তার খরচও ফেরত দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত শিক্ষাবৃত্তি হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সমাদৃত।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা শর্ত সাপেক্ষে বৃত্তির অফার পান এবং পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্তত একটি থেকে নিঃশর্ত ভর্তির অনুমতি নিশ্চিত করতে হয়। ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর চূড়ান্ত মার্কশিট, পাসপোর্ট এবং সুপারিশপত্রসহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।