ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ৫১তম বিসিএসের আবেদন শুরু, যা যা জানা জরুরি Logo ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনা, পরমাণু হামলার হুমকি রাশিয়ার Logo ‘মনে হচ্ছিল উড়োজাহাজ না, রোলারকোস্টার, হুড়মুড়িয়ে নিচে নামছিল’ Logo অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে হেনস্তার প্রতিবাদে হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে তাঁরা Logo মেসিকে ছাড়াই আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত শুরু Logo ৬৯ বছর বয়সে সাইকেলে পৃথিবী চক্কর দিলেন Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ হেফাজত থেকে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক, জানালেন কৃতজ্ঞতা Logo ঐশ্বরিয়াকে পাঁচ সিনেমা থেকে বাদ দিয়েছিলেন শাহরুখ, নতুন করে আলোচনায় পুরোনো সাক্ষাৎকার Logo একটা দিন কিছু না করে কাটালে কী হয়, বার্নআউট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব? Logo পাজের আলোয় নতুন যুগে চার গোল করা আর্জেন্টিনা

একের পর এক হামলা–ভাঙচুর, দখলের ঘটনায় বিব্রত সরকার

দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে চলা একের পর এক হামলা, ভাঙচুর ও সম্পত্তি দখলের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এসব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান নিষ্ক্রিয়তা এবং সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হওয়ায় নীতিনির্ধারকরাও কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

পরিস্থিতির অবনতি রোধে অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তুলেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, যা অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের ফলে জননিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি রোধে সরকারের উচ্চপর্যায়েল থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন যেকোনো মূল্যে বিশৃঙ্খলা কঠোর হাতে দমন করা হয়। রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিচয় বিবেচনা না করে সরাসরি অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই বিশৃঙ্খলা দ্রুত দমন করা না গেলে সরকারের ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনকে আরও তৎপর ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

৫১তম বিসিএসের আবেদন শুরু, যা যা জানা জরুরি

একের পর এক হামলা–ভাঙচুর, দখলের ঘটনায় বিব্রত সরকার

প্রকাশিত ০৮:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে চলা একের পর এক হামলা, ভাঙচুর ও সম্পত্তি দখলের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এসব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান নিষ্ক্রিয়তা এবং সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হওয়ায় নীতিনির্ধারকরাও কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

পরিস্থিতির অবনতি রোধে অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তুলেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, যা অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের ফলে জননিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি রোধে সরকারের উচ্চপর্যায়েল থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন যেকোনো মূল্যে বিশৃঙ্খলা কঠোর হাতে দমন করা হয়। রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিচয় বিবেচনা না করে সরাসরি অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই বিশৃঙ্খলা দ্রুত দমন করা না গেলে সরকারের ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনকে আরও তৎপর ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।