ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মির্জাপুরে দুর্গামন্দিরের ৭টি প্রতিমা ভাঙচুর Logo নেপালে ঝুঁকিতে প্রায় ৭০০ ট্রেকার, হেলিকপ্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে অনেককে Logo কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তায় নতুন সুবিধা চালু করল হোয়াটসঅ্যাপ Logo বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে আদালত চত্বরে আওয়ামীপন্থী তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ Logo মিরপুরে বাসচাপায় নারী আরোহীসহ চালক নিহত Logo সন্তানকে ছেড়ে হাসপাতালে ভর্তি হননি মা, ডেঙ্গুতে ছাড়তে হলো পৃথিবীই Logo রিসোর্ট-এনজিওতে ‘মেহমান’ পরিচয়ে রাতভর মুখস্থ করানো হতো ফাঁস করা প্রশ্নের উত্তর Logo ফেনী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী মিষ্টি Logo স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর পদত্যাগ করছেন বিএনপির এমপি মিষ্টি

মিরপুরে বাসচাপায় নারী আরোহীসহ চালক নিহত

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় পাখিভ্যানের চালক ও এক নারী আরোহী নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আরও এক নারী যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদ্রাসার সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আকস্মিক এই প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সড়কে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে পাখিভ্যানটি কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়ক ধরে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে আমতলা মাদ্রাসার সামনে পৌঁছানোর পর হঠাৎ করেই ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে যায় এবং সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন দিক থেকে মেহেরপুরের দিকে ছুটে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভানুমতি নামের ওই নারী আরোহী মারা যান।

নিহত ভানুমতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার স্বস্তিপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী এবং তিনি মিরপুরের নওদা আজমপুর এলাকায় তাঁর জামাতার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। অন্যদিকে নিহত পাখিভ্যানচালক কামরুল ইসলাম একই উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে। দুর্ঘটনায় ভানুমতির মেয়ে হাসিনাও গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি মায়ের সঙ্গে ওই ভ্যানেই যাতায়াত করছিলেন।

খবর পেয়ে দ্রুত আমলা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত দুজনকে প্রথমে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। পরবর্তীতে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে মারা যান ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম এই সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের প্রাণহানির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে পুলিশ ইতিমধ্যে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ভ্যানটি জব্দ করেছে। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দোষী চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

মির্জাপুরে দুর্গামন্দিরের ৭টি প্রতিমা ভাঙচুর

মিরপুরে বাসচাপায় নারী আরোহীসহ চালক নিহত

প্রকাশিত ০৩:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় পাখিভ্যানের চালক ও এক নারী আরোহী নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আরও এক নারী যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদ্রাসার সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আকস্মিক এই প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সড়কে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে পাখিভ্যানটি কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়ক ধরে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে আমতলা মাদ্রাসার সামনে পৌঁছানোর পর হঠাৎ করেই ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে যায় এবং সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন দিক থেকে মেহেরপুরের দিকে ছুটে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভানুমতি নামের ওই নারী আরোহী মারা যান।

নিহত ভানুমতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার স্বস্তিপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী এবং তিনি মিরপুরের নওদা আজমপুর এলাকায় তাঁর জামাতার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। অন্যদিকে নিহত পাখিভ্যানচালক কামরুল ইসলাম একই উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে। দুর্ঘটনায় ভানুমতির মেয়ে হাসিনাও গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি মায়ের সঙ্গে ওই ভ্যানেই যাতায়াত করছিলেন।

খবর পেয়ে দ্রুত আমলা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত দুজনকে প্রথমে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। পরবর্তীতে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে মারা যান ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম এই সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের প্রাণহানির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে পুলিশ ইতিমধ্যে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ভ্যানটি জব্দ করেছে। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দোষী চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।