ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০২:০২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৪৭ বার পঠিত

খুলনা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টায় জিয়া মোড় থেকে শুরু করে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সদক দক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে মিলিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা ‘কলম না টেম্পু, কলম কলম’ ‘লন্ডন না ঢাকা: ঢাকা ঢাকা, ‘শিক্ষা সন্ত্রাস,একসাথে চলে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ‘ছাত্রদলের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও, দালালি না রাজপথ; রাজপথ রাজপথ ইত্যাদি শ্লোগানের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে তোলেন।

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট। সহ-সমন্বয়ক নাহিদ হাসান, তানভীর মন্ডল, ইয়াশিরুল কবির সৌরভ সহ প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।

সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, আমরা ঘোষণা দিতে চাই, ছাত্রলীগরা যখন সন্ত্রাস করেছিল আমরা তখন বলেছিলাম ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী, বর্তমানে ছাত্রদল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে আমাদের ছাত্রদলকে সন্ত্রাসী বলতে কোন আপত্তি নেই। তারা ছাত্রদল, শিবির, ডান-বাম যাই হোক না কেন তারা যদি দেশ সংস্কারে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বা কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে যুক্ত হয় তার আমরা দ্রুত শাস্তি চাই। অনেকেই জিজ্ঞেস করে আমরা কারা? আমরা বলতে চাই আমরা ঈদের পরে আন্দোলন করা মানুষ না। ৩৬ শে জুলাই এখনো শেষ হয়নি, শেষ হলে আজকের এই সহিংসতা আমাদের দেখতে হতো না। প্রশাসনের কাছে আমরা আহবান রাখতে চাই বিগত ১৬ বছরে সকল অন্যায়, দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অনিয়মের শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক। আমরা দেখতে চাই কারা, কিভাবে কত টাকা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছে। সর্বশেষে বলতে চাই যারা আমার ভাইয়ের গায়ে হাত তুলেছে রক্ত ঝরিয়েছে অনতিবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সতর্কতা মূলক অবস্থানে থাকতে হবে।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত ০২:০২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খুলনা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টায় জিয়া মোড় থেকে শুরু করে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সদক দক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে মিলিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা ‘কলম না টেম্পু, কলম কলম’ ‘লন্ডন না ঢাকা: ঢাকা ঢাকা, ‘শিক্ষা সন্ত্রাস,একসাথে চলে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ‘ছাত্রদলের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও, দালালি না রাজপথ; রাজপথ রাজপথ ইত্যাদি শ্লোগানের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে তোলেন।

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট। সহ-সমন্বয়ক নাহিদ হাসান, তানভীর মন্ডল, ইয়াশিরুল কবির সৌরভ সহ প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।

সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, আমরা ঘোষণা দিতে চাই, ছাত্রলীগরা যখন সন্ত্রাস করেছিল আমরা তখন বলেছিলাম ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী, বর্তমানে ছাত্রদল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে আমাদের ছাত্রদলকে সন্ত্রাসী বলতে কোন আপত্তি নেই। তারা ছাত্রদল, শিবির, ডান-বাম যাই হোক না কেন তারা যদি দেশ সংস্কারে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বা কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে যুক্ত হয় তার আমরা দ্রুত শাস্তি চাই। অনেকেই জিজ্ঞেস করে আমরা কারা? আমরা বলতে চাই আমরা ঈদের পরে আন্দোলন করা মানুষ না। ৩৬ শে জুলাই এখনো শেষ হয়নি, শেষ হলে আজকের এই সহিংসতা আমাদের দেখতে হতো না। প্রশাসনের কাছে আমরা আহবান রাখতে চাই বিগত ১৬ বছরে সকল অন্যায়, দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অনিয়মের শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক। আমরা দেখতে চাই কারা, কিভাবে কত টাকা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছে। সর্বশেষে বলতে চাই যারা আমার ভাইয়ের গায়ে হাত তুলেছে রক্ত ঝরিয়েছে অনতিবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সতর্কতা মূলক অবস্থানে থাকতে হবে।