ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’ Logo পাবিপ্রবিতে বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা Logo হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের Logo ডিআরইউ সঙ্গে পুপরোয়া’র মতবিনিময় সভা Logo শিক্ষকদের পাঠ মুল্যায়নে অনলাইন ফিডব্যাক বাধ্যতামুলক করলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় Logo মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

ইবিতে ভিসির কার্যালয়ে নজরদারি চেষ্টার অভিযোগ প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১০:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • ১১১ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসির ওপর নজরদারি করার অভিযোগ উঠেছে প্রোভিসি অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে। উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে  সিসি টিভি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশনা দেন তিনি। পরে ভিসির অনুমতি ছাড়াই এ কাজ করায় ভিসির নির্দেশনায় ক্যামেরা খুলতে বাধ্য হন কর্মচারীরা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছে প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড এম এয়াকুব আলী।

জানা যায়, কিছুদিন আগে প্রোভিসির কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা মেরামতের জন্য আইসিটি সেলে নোট পাঠান প্রোভিসি। পরে কাজ শুরু করতে দেরি করায় আইসিটি  সেলের ইলিয়াস জোয়ার্দারের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার ‘ইউনিক কম্পিউটার’ নামক প্রতিষ্ঠানকে এ কাজ করতে নির্দেশ দেন তিনি।

সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজে নিয়জিত কর্মচারী তুষার বলেন, প্রোভিসি স্যার আমাকে বলেছিলো যে,’ ভিসি স্যারের ঐ জায়গায় অনেক ঝামেলা হয়, আমি অফিস থেকে যেতে দেরি হয়। এজন্য মাঝে মাঝে রাগারাগি করে। তুমি ঐ জায়গায় একটা ক্যামেরা দিয়ে দাও।’ পরে আমি ক্যামেরা লাগিয়ে প্রোভিসির স্যারের অফিসে ক্যামেরাগুলোর কানেকশন করে চলে আসি।

ক্যামেরা খোলার বিষয়ে তিনি বলেন,
আজকে সকালে বিল সাবমিট করতে আসলে ভিসি স্যার ডেকে নিয়ে রাগারাগি করে ক্যামেরা খুলে ফেলতে বলেন। পরে স্যারের কার্যালয়ের সামনের ক্যামেরা খুলে ফেলছি।

এ বিষয়ে উপাচার্যের  পিএস গোলাম মাহফুজ মঞ্জু বলেন,’আমি ঢাকায় থাকায় এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। প্রক্টর স্যার ভালো বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: শাহজাহান আলী বলেন, ‘প্রো-ভিসি স্যার অনেকদিন আগে আমাদেরকে ফাইল পাঠাইছিলো। ঐ ফাইল এখনো চলমান আছে। তারপরে ভিসি স্যার সিসি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এরমধ্যে আর একটা বিষয় আমি শুনেছি,
প্রো-ভিসি স্যারও ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। সে বিষয়ে আমিও কনফার্ম না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘ প্রোভিসি স্যার সিসি তার কার্যালয়ে ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে ভিসি স্যারের কার্যালয়ের সামনে একটা ক্যামেরা লাগানো হয়। ভিসি স্যার বিষয়টি জানতে পারলে তা খুলে ফেলার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন,’যারা কাজ করেছে তারা বুঝতে ভুল করেছে। আমি তাদের বলেছি তিন তলার সিঁড়িতে একটা লাগাতে যেটার কানেকশন থাকবে আমার রুমে। আর ভিসি স্যারের রুমের সামনের ক্যামেরার কানেকশন থাকবে ভিসি স্যারের রুমে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জনপ্রিয়

বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ইবিতে ভিসির কার্যালয়ে নজরদারি চেষ্টার অভিযোগ প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে

প্রকাশিত ১০:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসির ওপর নজরদারি করার অভিযোগ উঠেছে প্রোভিসি অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে। উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে  সিসি টিভি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশনা দেন তিনি। পরে ভিসির অনুমতি ছাড়াই এ কাজ করায় ভিসির নির্দেশনায় ক্যামেরা খুলতে বাধ্য হন কর্মচারীরা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছে প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড এম এয়াকুব আলী।

জানা যায়, কিছুদিন আগে প্রোভিসির কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা মেরামতের জন্য আইসিটি সেলে নোট পাঠান প্রোভিসি। পরে কাজ শুরু করতে দেরি করায় আইসিটি  সেলের ইলিয়াস জোয়ার্দারের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার ‘ইউনিক কম্পিউটার’ নামক প্রতিষ্ঠানকে এ কাজ করতে নির্দেশ দেন তিনি।

সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজে নিয়জিত কর্মচারী তুষার বলেন, প্রোভিসি স্যার আমাকে বলেছিলো যে,’ ভিসি স্যারের ঐ জায়গায় অনেক ঝামেলা হয়, আমি অফিস থেকে যেতে দেরি হয়। এজন্য মাঝে মাঝে রাগারাগি করে। তুমি ঐ জায়গায় একটা ক্যামেরা দিয়ে দাও।’ পরে আমি ক্যামেরা লাগিয়ে প্রোভিসির স্যারের অফিসে ক্যামেরাগুলোর কানেকশন করে চলে আসি।

ক্যামেরা খোলার বিষয়ে তিনি বলেন,
আজকে সকালে বিল সাবমিট করতে আসলে ভিসি স্যার ডেকে নিয়ে রাগারাগি করে ক্যামেরা খুলে ফেলতে বলেন। পরে স্যারের কার্যালয়ের সামনের ক্যামেরা খুলে ফেলছি।

এ বিষয়ে উপাচার্যের  পিএস গোলাম মাহফুজ মঞ্জু বলেন,’আমি ঢাকায় থাকায় এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। প্রক্টর স্যার ভালো বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: শাহজাহান আলী বলেন, ‘প্রো-ভিসি স্যার অনেকদিন আগে আমাদেরকে ফাইল পাঠাইছিলো। ঐ ফাইল এখনো চলমান আছে। তারপরে ভিসি স্যার সিসি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এরমধ্যে আর একটা বিষয় আমি শুনেছি,
প্রো-ভিসি স্যারও ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। সে বিষয়ে আমিও কনফার্ম না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘ প্রোভিসি স্যার সিসি তার কার্যালয়ে ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে ভিসি স্যারের কার্যালয়ের সামনে একটা ক্যামেরা লাগানো হয়। ভিসি স্যার বিষয়টি জানতে পারলে তা খুলে ফেলার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন,’যারা কাজ করেছে তারা বুঝতে ভুল করেছে। আমি তাদের বলেছি তিন তলার সিঁড়িতে একটা লাগাতে যেটার কানেকশন থাকবে আমার রুমে। আর ভিসি স্যারের রুমের সামনের ক্যামেরার কানেকশন থাকবে ভিসি স্যারের রুমে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।