ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

হাবিপ্রবিতে বেস্ট প্রেজেন্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ গবেষক

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) গবেষণা ও উপস্থাপন দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে “বেস্ট প্রেজেন্টার” অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ জন শিক্ষক ও গবেষক।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি) আয়োজিত “অ্যানুয়াল রিসার্চ রিভিউ ওয়ার্কশপ এন্ড বেস্ট প্রেজেন্টার অ্যাওয়ার্ড গিভিং সেরেমনি ২০২৪” অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. এনামউল্যা পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর কবির উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইআরটি পরিচালক প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন।

সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন কৃষি অনুষদ থেকে এনটোমোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন, প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান, এগ্রোনমি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার,  কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ থেকে সহকারী অধ্যাপক রনি তোতা, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. জান্নাতুল ফেরদৌসী, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাত হোসেন সরকার, ভেটেরিনারি ও প্রাণিসম্পদ অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, বিজ্ঞান অনুষদ থেকে সহকারী অধ্যাপক এ. এস. এম. আবু সাঈদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. রোজিনা ইয়াসমিন (লাকি)।

গবেষণার মান, উপস্থাপনার দক্ষতা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের ভিত্তিতে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতের গবেষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং গবেষণা সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

হাবিপ্রবিতে বেস্ট প্রেজেন্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ গবেষক

প্রকাশিত ১১:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) গবেষণা ও উপস্থাপন দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে “বেস্ট প্রেজেন্টার” অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ জন শিক্ষক ও গবেষক।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি) আয়োজিত “অ্যানুয়াল রিসার্চ রিভিউ ওয়ার্কশপ এন্ড বেস্ট প্রেজেন্টার অ্যাওয়ার্ড গিভিং সেরেমনি ২০২৪” অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. এনামউল্যা পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর কবির উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইআরটি পরিচালক প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন।

সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন কৃষি অনুষদ থেকে এনটোমোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন, প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান, এগ্রোনমি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার,  কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ থেকে সহকারী অধ্যাপক রনি তোতা, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. জান্নাতুল ফেরদৌসী, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাত হোসেন সরকার, ভেটেরিনারি ও প্রাণিসম্পদ অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, বিজ্ঞান অনুষদ থেকে সহকারী অধ্যাপক এ. এস. এম. আবু সাঈদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদ থেকে প্রফেসর ড. রোজিনা ইয়াসমিন (লাকি)।

গবেষণার মান, উপস্থাপনার দক্ষতা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের ভিত্তিতে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতের গবেষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং গবেষণা সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।