জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই কর্মসূচির আওতায় প্লাস্টিক বর্জ্যের বিপরীতে চারাগাছ উপহার দেওয়ার মাধ্যমে একটি ব্যতিক্রমী ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা চত্বরে এ কর্মসূচির উদ্ভোধন করা হয়। যা আগামীকাল ১৩ জানুয়ারি বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ পযর্ন্ত চলবে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ সাদী হাসান, রায়হানুল ইসলাম, ইফরাত আমিন অক্ষর, সোলাইমান হোসেন, মেহেদী হাসান, সাব্বির হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ১০টি প্লাস্টিকের বোতল অথবা ১০টি প্লাস্টিক পলিথিন জমা দিলে একটি করে চারাগাছ উপহার হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দের সঙ্গে পরিবেশ সচেতনতা যুক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।
এ সম্পর্কে শাখা ছাত্রদল নেতা সোলাইমান হোসেন বলেন” বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামোর ৩১ দফাকে ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক এই অভিনব এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ক্যাম্পাসবান্ধব কর্মকাণ্ডে ছাত্রদল সর্বদা বদ্ধপরিকর। এরকম ভবিষ্যতে ছাত্রদল ক্যাম্পাসকে ঘিরে আরো নানামুখী আয়োজন গ্রহন করবে ইনশাআল্লাহ, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি”
শাখা ছাত্রদল নেতা ইফরাত আমিন অক্ষর বলেন, ”প্লাস্টিক মুক্ত ক্যাম্পাস তৈরী করার লক্ষ্যে আমরা এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহন করেছি। আমাদের কাছে প্রতি ১০টি প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে উপহার হিসেবে পাচ্ছেন একটি করে চারাগাছ। ছাত্রদল পরবর্তীতেও এরকম প্রকৃতি সচেতন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখবে।”
এ সময় জাবি শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও জাকসুর ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান বলেন, “প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস, পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, একটি অভিনব উদ্যোগ গ্রহন করেছে। নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে আমাদের সকল নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় একটি ক্ষুদ্র আয়োজন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। শিক্ষার্থীদের এবং পরিবেশের মঙ্গল কামনার লক্ষ্যে আমরা পূর্বে যেমন ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম করেছি, তেমনি ভবিষ্যতেও কল্যানমূলক কাজ করে যাবো।”

























