‘‘যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তিশালী দেশ এই ধরনের অপ্রীতিকর পদ্ধতি অবলম্বন করে, তখন এর অর্থ কেবল একটিই; প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আমেরিকার অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।’’
এর আগে, চীনও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কবৃদ্ধির ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
এদিকে, দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে তেহরানের রাস্তায় দোকানিদের নেমে আসার পর থেকে শুরু হওয়া অস্থিরতা এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক একটি মানবাধিকার সংস্থা বলেছে, ইরানে সরকারি দমন-পীড়নে ২ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
ইরানি মুদ্রার মূল্যের তীব্র পতনের প্রতিবাদে ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ। কিন্তু পরে তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়, যেখানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শাসনের অবসানের দাবি জানানো হচ্ছে। বিবিসি পার্সিয়ানের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তেহরান ও কারাজে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং সেখান রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা কমে আসছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেটও বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে ইরানিরা বাইরের বিশ্বের পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছে না।




















