ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‎২১ ফেব্রুয়ারি: আমাদের ভাষা রক্ষার দিন Logo বিশ্বের ১৫০টি প্রস্তাবকে পেছনে ফেলে আইএইউ-এর ৯৫০০ ইউরো অনুদান জিতল ‘EcoAstroBD’ Logo ‎কুবিস্থ নেত্রকোণা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সাদির-মোফাজ্জল Logo স্পেয়ার পার্টসে ৭০% পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছেন রিয়েলমির গ্রাহকরা Logo অপো এ৬এস প্রোর ‘ফরেস্ট লুক’ ঘিরে দেশজুড়ে তারকাদের ব্যাপক আলোড়ন Logo রং তুলির আছড়ে, প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে শহীদ মিনার  Logo রমজান জুড়ে জাবিতে স্বল্পমূল্যে ‘ইফতার-ই-দস্তরখান’ আয়োজন Logo কুবিতে আবাসিক হলে ঢুকে ১৩-১৪ সেশনের ছাত্রদল নেতা কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধর Logo বায়তুল মোকাররমে হাজারো মুসল্লির একসাথে ইফতার, অংশ নিতে পারে যে কেউ  Logo কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১-১০ রমজান ‘ক্যাম্পাস ইফতার ও কুরআন খতম’ কর্মসূচি

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার শুভ সূচনায় জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার শুভ সূচনা উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার পাদদেশে দুইশতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

জাতীয় সংগীত পরিবেশন সমাপ্তিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা বলেন,
এই আয়োজনের উদ্যোগে উদ্দেশ্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই যেন দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার অংশীদার হতে পারে। একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা থেকেই আমরা সবাই মিলে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের আহ্বান দেশ যেন সবার হয়, সমতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই দেশের গণতান্ত্রিক সংকট ও দুঃসময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ ও দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আজ নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের এই মুহূর্তে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধের ১৯৭১ সালের বীর শহীদ ও সাম্প্রতিক সময়ে দেশকে ন্যায়ের পথে এগিয়ে নিতে যারা প্রাণ দিয়েছেন কিংবা এখনও হাসপাতালে জীবনসংগ্রাম করছেন, তাঁদের প্রতি জানাই গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা।”

“নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার আমরা নিয়েছি, জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে আজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি। সংসদে যে শপথ গ্রহণ হয়েছে, দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে, তা যেন অটুট থাকে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। প্রবীণ ও নবীনের সম্মিলিত প্রয়াসে ১৯৭১ সালের স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে। এই বিশ্বাস নিয়েই আজকের এই আয়োজন” বলেও জানান উপাচার্য।

জনপ্রিয়

‎২১ ফেব্রুয়ারি: আমাদের ভাষা রক্ষার দিন

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার শুভ সূচনায় জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

প্রকাশিত ১২:২৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার শুভ সূচনা উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার পাদদেশে দুইশতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

জাতীয় সংগীত পরিবেশন সমাপ্তিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা বলেন,
এই আয়োজনের উদ্যোগে উদ্দেশ্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই যেন দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার অংশীদার হতে পারে। একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা থেকেই আমরা সবাই মিলে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের আহ্বান দেশ যেন সবার হয়, সমতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই দেশের গণতান্ত্রিক সংকট ও দুঃসময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ ও দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আজ নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের এই মুহূর্তে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধের ১৯৭১ সালের বীর শহীদ ও সাম্প্রতিক সময়ে দেশকে ন্যায়ের পথে এগিয়ে নিতে যারা প্রাণ দিয়েছেন কিংবা এখনও হাসপাতালে জীবনসংগ্রাম করছেন, তাঁদের প্রতি জানাই গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা।”

“নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার আমরা নিয়েছি, জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে আজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি। সংসদে যে শপথ গ্রহণ হয়েছে, দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে, তা যেন অটুট থাকে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। প্রবীণ ও নবীনের সম্মিলিত প্রয়াসে ১৯৭১ সালের স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে। এই বিশ্বাস নিয়েই আজকের এই আয়োজন” বলেও জানান উপাচার্য।