ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কুবিতে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসবের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় সম্পন্ন Logo চিকিৎসায় অব্যাবস্থাপনার অভিযোগে রাবি মেডিকেলে তালা Logo দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দুই নেতার পদ স্থগিত Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ Logo নবীনদের বরণে হাবিপ্রবি, শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে মন্ত্রীর আহ্বান Logo জাবিতে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি Logo রাবিতে চলছে চার দিনব্যাপী ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন Logo চীনা প্রকল্পে ডাকাতি, মোবাইল ফোনের সূত্রে গ্রেফতার পাঁচ  Logo কেরানীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার Logo রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ক্রুটি : বহু শিক্ষার্থীকে দেখানো হয়েছে ফেল

হাবিপ্রবি বন্ধুসভার উদ্যোগে এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার আয়োজন

পবিত্র রমজান মাসের সহমর্মিতা, ত্যাগ ও মানবিকতার শিক্ষা বাস্তবে প্রতিফলিত করতে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে হাবিপ্রবি বন্ধুসভা। বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত এই সংগঠনটি এবার এগিয়ে এসেছে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে, রোজার মহিমা ও বরকত ভাগাভাগি করে নিতে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পাস সংলগ্ন উত্তর সাদেকপুর শাহী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন বন্ধুসভার সদস্যরা এবং মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীরা। আয়োজনের শুরু থেকেই ছিল ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বন্ধুসভার সদস্যরা নিজ হাতে এতিম শিক্ষার্থীদের ইফতার পরিবেশন করেন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন এবং রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। পুরো আয়োজনে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ছিল তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, “বন্ধুসভার মূল লক্ষ্য সবসময় বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজ করা। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সেই পরিধিকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছি। রমজানের সহমর্মিতা ও বরকতের বার্তা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের কাছেও পৌঁছে দেওয়াই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। সকল সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও একাত্মতার ফলেই আমরা সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি।”

সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া শারমিন বর্ষা বলেন, “আজকের ইফতার আয়োজন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের মানবিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ। এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার ভাগাভাগি করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই আয়োজন সফল করতে সংগঠনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক পরিশ্রম প্রশংসার দাবিদার।”

অনুষ্ঠান শেষে এতিম শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন মুহূর্ত আয়োজকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। আয়োজকরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অঙ্গীকার, এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

কুবিতে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসবের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় সম্পন্ন

হাবিপ্রবি বন্ধুসভার উদ্যোগে এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার আয়োজন

প্রকাশিত ১১:৫৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসের সহমর্মিতা, ত্যাগ ও মানবিকতার শিক্ষা বাস্তবে প্রতিফলিত করতে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে হাবিপ্রবি বন্ধুসভা। বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত এই সংগঠনটি এবার এগিয়ে এসেছে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে, রোজার মহিমা ও বরকত ভাগাভাগি করে নিতে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পাস সংলগ্ন উত্তর সাদেকপুর শাহী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন বন্ধুসভার সদস্যরা এবং মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীরা। আয়োজনের শুরু থেকেই ছিল ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বন্ধুসভার সদস্যরা নিজ হাতে এতিম শিক্ষার্থীদের ইফতার পরিবেশন করেন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন এবং রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। পুরো আয়োজনে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ছিল তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, “বন্ধুসভার মূল লক্ষ্য সবসময় বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজ করা। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সেই পরিধিকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছি। রমজানের সহমর্মিতা ও বরকতের বার্তা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের কাছেও পৌঁছে দেওয়াই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। সকল সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও একাত্মতার ফলেই আমরা সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি।”

সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া শারমিন বর্ষা বলেন, “আজকের ইফতার আয়োজন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের মানবিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ। এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার ভাগাভাগি করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই আয়োজন সফল করতে সংগঠনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক পরিশ্রম প্রশংসার দাবিদার।”

অনুষ্ঠান শেষে এতিম শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন মুহূর্ত আয়োজকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। আয়োজকরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অঙ্গীকার, এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।