ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যাত্রী না তুলেই ৫ ঘণ্টা ট্রিপ, উবারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে দক্ষিণ বনশ্রীতে চলছে ইল্লিয়ীন ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের ‘গ্র্যান্ড ওপেনিং’ উৎসব Logo এই ঈদে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য রিয়েলমির বিশেষ আয়োজন ‘ঈদের হাসি’ Logo থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের জন্য প্লে-জোন নির্মাণ করল রবি Logo ভিভো ওয়াই৩১ডি-এর সাথে উৎসবের দিন আরও রঙিন Logo পুনর্বাসন ও জীবিকা উন্নয়নে সিআরপি ও ডিআরআরএ–র পাশে ইউনিলিভার বাংলাদেশ Logo নির্বাচনের আগে-পরে বিএনপি নিয়ে বাংলাদেশি কূটনীতিকের বিষোদগার Logo দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন Logo সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটাতে রমজানে কোকা-কোলার বিশেষ উদ্যোগ Logo শহর পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে কর্মীদের দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের

যাত্রী না তুলেই ৫ ঘণ্টা ট্রিপ, উবারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা উবার (Uber) কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অজান্তে টাকা আত্মসাৎ ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। যাত্রী গাড়িতে না ওঠা সত্ত্বেও ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ভুয়া ট্রিপ চলাকালীন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই বিকাশ থেকে টাকা কেটে নেওয়ার ঘটনায় উবার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক সংবাদকর্মী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ই মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল ৬ টা ৪৩ মিনিটে সংবাদকর্মী বাইজীদ হোসেন সা’দ রাজধানীর কলতাবাজার এলাকা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য একটি উবার কল করেন। কিন্তু চালক (মো. ইউসুফ হোসেন, গাড়ি নং: ঢাকা মেট্রো-গ-২৬-৭১২১) যাত্রীর লোকেশনে না এসেই সকাল ৬:৪৫ মিনিটে মতিঝিল এলাকা থেকে ট্রিপটি স্টার্ট করে দেন। গাড়িতে না থাকা সত্ত্বেও ট্রিপ শুরু হওয়ায় যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মেসেজ এবং কল দিয়ে ট্রিপ বন্ধ করতে বললেও চালক তা এড়িয়ে যান।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জালিয়াতি বুঝতে পেরে তিনি রাইডটি বাতিল করতে চাইলেও উবারের ত্রুটিপূর্ণ ‘ক্যান্সেল’ পলিসি তাকে বাঁধা দেয়। জরিমানা ছাড়া রাইড বাতিলের সুযোগ না থাকায় গ্রাহক কার্যত উবারের অ্যাপের কাছেই জিম্মি হয়ে পড়েন।

ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, ‘আমি গাড়িতে না থাকা সত্ত্বেও ট্রিপ শুরু হওয়ায় আমি চালককে একাধিক মেসেজ ও কল দেই। চালক মেসেজগুলো পড়লেও (Read) কোনো উত্তর দেননি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আমার কল রিসিভ করেননি। আমি রাইডটি বাতিল করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু উবার অ্যাপ থেকে জানানো হয় যে ট্রিপ শুরু হয়ে যাওয়ায় বাতিল করলে আমাকে জরিমানা দিতে হবে। উবারের ত্রুটিপূর্ণ পলিসির কারণে আমি প্রতারণার শিকার হওয়া সত্ত্বেও কোনো আর্থিক জরিমানা ছাড়া ট্রিপটি বাতিল করতে পারিনি। অর্থাৎ, চালকের জালিয়াতি জানা সত্ত্বেও উবার কর্তৃপক্ষ রাইডটি চলমান রাখতে আমাকে বাধ্য করেছে। এই সুযোগটাই নিয়েছে চালক।’

নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় যাত্রী উবার অ্যাপের SOS (Emergency Assistance) বাটন প্রেস করেন। উবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ইমেইলে যাত্রীকে নিশ্চিত করেন যে, ‘তারা চালককে কল দিলেও তিনি তাদের কলেও কোনো সাড়া দেননি।’ উবার ইমার্জেন্সি টিম চালককে কল দিয়ে ব্যর্থ হলেও জিপিএস ট্র্যাকিং থাকা সত্ত্বেও তারা রাইডটি বন্ধ করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরে দুপুর ১২টা ০২ মিনিটে চালক নিজেই ট্রিপটি শেষ করেন। চালক ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ধরে ভুয়া ট্রিপটি চালিয়ে ৮২১.৫১ টাকা বিল করার সুযোগ পান। যার ফলে যাত্রীর বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে এস্টিমেটেড ফেয়ার ৪০২.৫৪ টাকা কেটে নেওয়া হয় এবং আরও ৪১৮.৯৭ টাকা বকেয়া দেখানো হয়।

বাইজীদ সা’দ জানান, ‘নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় উবার অ্যাপের ইমার্জেন্সি বাটন প্রেস করেন তিনি। উবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের প্রতিনিধি সুলতান তাকে ইমেইল মারফত নিশ্চিত করেন যে, তারা চালককে কল দিলেও তিনিও তাদের কলেও কোনো সাড়া দেননি। চালক ফোন না ধরা সত্ত্বেও উবার কর্তৃপক্ষ কেন জিপিএস ট্র্যাকিং দেখে ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ধরে চলা এই ভুয়া রাইডটি বন্ধ করেনি, তা তাদের চরম অবহেলার প্রমাণ!’

গাড়িতে না তুলেই চালক যাত্রা শুরু এবং বিলের বিষয়ে উবার সাপোর্টে অভিযোগ করেন সা’দ। ফিরতি মেসেজে বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দেয় উবার। কিন্তু, অভিযোগের কোনো সমাধান না করেই গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে পরদিন বুধবার (১৮ মার্চ) বকেয়া থাকা ৪১৮.৯৭ টাকা কেটে নেয় উবার কর্তৃপক্ষ। দুইদিনে মোট ৮২১.৫১ টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয় তারা।

সা’দ অভিযোগ করে বলেন, ‘চালক জালিয়াতি করার পরও উবার কর্তৃপক্ষ জিপিএস ডাটা বিশ্লেষণ না করেই অবৈধ পেমেন্ট প্রসেস সম্পন্ন করেছে এবং আমার বিকাশ থেকে টাকা কেটে নিয়েছে। প্রথমে আমার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে (১৭/০৩/২০২৬) ৪০২.৫৪ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে (TrxID: DCH47H20H6) এবং অন্যায়ভাবে আরও ৪১৮.৯৭ টাকা বকেয়া (Failed Payment) দেখানো হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দিন (১৮/০৩/২০২৬) ৪১৮.৯৭ টাকা (TrxID: DCI792TQND)। আমার অনুমতি ছাড়াই এবং অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় ৪১৮.৯৭ টাকা কেটে নেওয়া হয়। এটি প্রমাণ করে যে উবারের অ্যালগরিদম অস্বাভাবিক ট্রিপ ডিটেক্ট করতে ব্যর্থ।’

তিনি বলেন, চালক জালিয়াতি করেছেন ঠিকই, কিন্তু উবার কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এখানে সরাসরি অপরাধের শামিল। আমার অভিযোগটি যখন তাদেরকাছে তদন্তাধীন, তখন তারা কোন অধিকারে আমার অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় দফায় টাকা কেটে নিল? তাদের সিস্টেম কেন ঘণ্টার এই অস্বাভাবিক ট্রিপশনাক্ত করতে পারল না? উবার শুধু চালকের জালিয়াতিতেই সহায়তা করেনি, বরং গ্রাহকের আমানত রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে নিজেরাই অর্থ আত্মসাৎ করেছে।

এই ঘটনায় উবার কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী (ট্র্যাকিং আইডি: ccms2026-12172232374211)।

উবার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আত্মসাৎকৃত অর্থ রিফান্ডসহ উবারের ত্রুটিপূর্ণ ও প্রতারণামূলক ‘ক্যান্সেল’ ও ‘পেমেন্ট’ পলিসির আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতারক চালক এবং ডিজিটাল জালিয়াতিতে সহযোগিতাকারী উবার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সংযুক্ত পিডিএফ ফাইলে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এবং ডিজিটাল প্রমাণসমূহ সংযুক্ত করা হলো।

Complaint against Uber final

জনপ্রিয়

যাত্রী না তুলেই ৫ ঘণ্টা ট্রিপ, উবারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ

যাত্রী না তুলেই ৫ ঘণ্টা ট্রিপ, উবারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ

প্রকাশিত ০৩:৪১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা উবার (Uber) কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অজান্তে টাকা আত্মসাৎ ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। যাত্রী গাড়িতে না ওঠা সত্ত্বেও ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ভুয়া ট্রিপ চলাকালীন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই বিকাশ থেকে টাকা কেটে নেওয়ার ঘটনায় উবার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক সংবাদকর্মী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ই মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল ৬ টা ৪৩ মিনিটে সংবাদকর্মী বাইজীদ হোসেন সা’দ রাজধানীর কলতাবাজার এলাকা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য একটি উবার কল করেন। কিন্তু চালক (মো. ইউসুফ হোসেন, গাড়ি নং: ঢাকা মেট্রো-গ-২৬-৭১২১) যাত্রীর লোকেশনে না এসেই সকাল ৬:৪৫ মিনিটে মতিঝিল এলাকা থেকে ট্রিপটি স্টার্ট করে দেন। গাড়িতে না থাকা সত্ত্বেও ট্রিপ শুরু হওয়ায় যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মেসেজ এবং কল দিয়ে ট্রিপ বন্ধ করতে বললেও চালক তা এড়িয়ে যান।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জালিয়াতি বুঝতে পেরে তিনি রাইডটি বাতিল করতে চাইলেও উবারের ত্রুটিপূর্ণ ‘ক্যান্সেল’ পলিসি তাকে বাঁধা দেয়। জরিমানা ছাড়া রাইড বাতিলের সুযোগ না থাকায় গ্রাহক কার্যত উবারের অ্যাপের কাছেই জিম্মি হয়ে পড়েন।

ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, ‘আমি গাড়িতে না থাকা সত্ত্বেও ট্রিপ শুরু হওয়ায় আমি চালককে একাধিক মেসেজ ও কল দেই। চালক মেসেজগুলো পড়লেও (Read) কোনো উত্তর দেননি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আমার কল রিসিভ করেননি। আমি রাইডটি বাতিল করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু উবার অ্যাপ থেকে জানানো হয় যে ট্রিপ শুরু হয়ে যাওয়ায় বাতিল করলে আমাকে জরিমানা দিতে হবে। উবারের ত্রুটিপূর্ণ পলিসির কারণে আমি প্রতারণার শিকার হওয়া সত্ত্বেও কোনো আর্থিক জরিমানা ছাড়া ট্রিপটি বাতিল করতে পারিনি। অর্থাৎ, চালকের জালিয়াতি জানা সত্ত্বেও উবার কর্তৃপক্ষ রাইডটি চলমান রাখতে আমাকে বাধ্য করেছে। এই সুযোগটাই নিয়েছে চালক।’

নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় যাত্রী উবার অ্যাপের SOS (Emergency Assistance) বাটন প্রেস করেন। উবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ইমেইলে যাত্রীকে নিশ্চিত করেন যে, ‘তারা চালককে কল দিলেও তিনি তাদের কলেও কোনো সাড়া দেননি।’ উবার ইমার্জেন্সি টিম চালককে কল দিয়ে ব্যর্থ হলেও জিপিএস ট্র্যাকিং থাকা সত্ত্বেও তারা রাইডটি বন্ধ করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরে দুপুর ১২টা ০২ মিনিটে চালক নিজেই ট্রিপটি শেষ করেন। চালক ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ধরে ভুয়া ট্রিপটি চালিয়ে ৮২১.৫১ টাকা বিল করার সুযোগ পান। যার ফলে যাত্রীর বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে এস্টিমেটেড ফেয়ার ৪০২.৫৪ টাকা কেটে নেওয়া হয় এবং আরও ৪১৮.৯৭ টাকা বকেয়া দেখানো হয়।

বাইজীদ সা’দ জানান, ‘নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় উবার অ্যাপের ইমার্জেন্সি বাটন প্রেস করেন তিনি। উবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের প্রতিনিধি সুলতান তাকে ইমেইল মারফত নিশ্চিত করেন যে, তারা চালককে কল দিলেও তিনিও তাদের কলেও কোনো সাড়া দেননি। চালক ফোন না ধরা সত্ত্বেও উবার কর্তৃপক্ষ কেন জিপিএস ট্র্যাকিং দেখে ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ধরে চলা এই ভুয়া রাইডটি বন্ধ করেনি, তা তাদের চরম অবহেলার প্রমাণ!’

গাড়িতে না তুলেই চালক যাত্রা শুরু এবং বিলের বিষয়ে উবার সাপোর্টে অভিযোগ করেন সা’দ। ফিরতি মেসেজে বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দেয় উবার। কিন্তু, অভিযোগের কোনো সমাধান না করেই গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে পরদিন বুধবার (১৮ মার্চ) বকেয়া থাকা ৪১৮.৯৭ টাকা কেটে নেয় উবার কর্তৃপক্ষ। দুইদিনে মোট ৮২১.৫১ টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয় তারা।

সা’দ অভিযোগ করে বলেন, ‘চালক জালিয়াতি করার পরও উবার কর্তৃপক্ষ জিপিএস ডাটা বিশ্লেষণ না করেই অবৈধ পেমেন্ট প্রসেস সম্পন্ন করেছে এবং আমার বিকাশ থেকে টাকা কেটে নিয়েছে। প্রথমে আমার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে (১৭/০৩/২০২৬) ৪০২.৫৪ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে (TrxID: DCH47H20H6) এবং অন্যায়ভাবে আরও ৪১৮.৯৭ টাকা বকেয়া (Failed Payment) দেখানো হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দিন (১৮/০৩/২০২৬) ৪১৮.৯৭ টাকা (TrxID: DCI792TQND)। আমার অনুমতি ছাড়াই এবং অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় ৪১৮.৯৭ টাকা কেটে নেওয়া হয়। এটি প্রমাণ করে যে উবারের অ্যালগরিদম অস্বাভাবিক ট্রিপ ডিটেক্ট করতে ব্যর্থ।’

তিনি বলেন, চালক জালিয়াতি করেছেন ঠিকই, কিন্তু উবার কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এখানে সরাসরি অপরাধের শামিল। আমার অভিযোগটি যখন তাদেরকাছে তদন্তাধীন, তখন তারা কোন অধিকারে আমার অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় দফায় টাকা কেটে নিল? তাদের সিস্টেম কেন ঘণ্টার এই অস্বাভাবিক ট্রিপশনাক্ত করতে পারল না? উবার শুধু চালকের জালিয়াতিতেই সহায়তা করেনি, বরং গ্রাহকের আমানত রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে নিজেরাই অর্থ আত্মসাৎ করেছে।

এই ঘটনায় উবার কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী (ট্র্যাকিং আইডি: ccms2026-12172232374211)।

উবার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আত্মসাৎকৃত অর্থ রিফান্ডসহ উবারের ত্রুটিপূর্ণ ও প্রতারণামূলক ‘ক্যান্সেল’ ও ‘পেমেন্ট’ পলিসির আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতারক চালক এবং ডিজিটাল জালিয়াতিতে সহযোগিতাকারী উবার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সংযুক্ত পিডিএফ ফাইলে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এবং ডিজিটাল প্রমাণসমূহ সংযুক্ত করা হলো।

Complaint against Uber final