ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘আমি জানি না, সে আমাকে কেন মেরেছে’, নিজ বন্ধুর হাতে রক্তাক্ত কুবি শিক্ষার্থী Logo বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি Logo কোরবানির ঈদে ঘরে বসেই সাশ্রয়ী ও নিরাপদ কেনাকাটার মেগা অফার নিয়ে এলো ‘স্বপ্ন’ Logo খুলনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার’ বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত Logo স্বপ্ন ফুড কোর্টে লাইভ মিউজিক Logo অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি জাকসুর Logo কুমিল্লাকে বিভাগ করার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo এখন টিভির চার সাংবাদিককে নিয়ে রাতে সিদ্ধান্ত Logo বিশ্বের মানচিত্র থেকে পাকিস্তানকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের Logo দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

বাকৃবিতে বালাইনাশকের ঝুঁকি হ্রাসে পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

দেশে প্রচলিত বালাইনাশক ব্যবহারে ঝুঁকি কমাতে সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারে দুইদিন ব্যাপী কর্মশালাটি শুরু হয়।

‘পিআরআর এসবিসিসি ইমপ্লেমেন্টিং পার্টনার্স ট্রেনিং অ্যান্ড ফিল্ড আউটরীচ এক্টিভিটিস’ শীর্ষক পরিকল্পনা বিষয়ক এ কর্মশালা সেন্টার ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড বায়োসায়েন্সেস ইন্টারন্যাশনাল (ক্যাবই)-এর প্ল্যান্টওয়াইজ প্লাস প্রোগ্রামের আওতায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। এটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্ল্যান্ট প্রোটেক্টিং উইং ও ক্যাবই প্ল্যান্ট ওয়াইজ প্লাস প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।

কর্মশালা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড জি এম মুজিবর রহমান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সিএবি ইন্টারন্যাশনালের প্রকল্প পরিচালক ড. দিলরুবা শারমিন, ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশন ম্যানেজার আজমত আব্বাস ও সীড প্যাথলজি সেন্টারের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহমুদুল হাসান চৌধুরী। এসময় ময়মনসিংহের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পেস্টিসাইড ডিলার ও এমএস শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবই’র ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশন ম্যানেজার আজমত আব্বাস। তিনি কৃষিক্ষেত্রে বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরেন। কৃষকের স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, ‘এই কর্মশালাটি একই সাথে আকর্ষণীয় ও চ্যালেঞ্জিং। বালাইনাশকের ক্ষতিকর দিকসমূহ কম বেশি সব কৃষকই জানে। তারপরও কিছু কিছু ফসলে পোকার আক্রমণ একই বেশি যে, অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে কৃষক বালাইনাশক ব্যবহার করে৷ কিন্তু ফসলে বালাইনাশক ব্যবহারে মাটির, সেঁচের পানির ক্ষতিসহ আরও ক্ষতিকর বিষয়গুলোতে বিস্তর জ্ঞানার্জনের জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, হঠাৎ করে বালাইনাশকের প্রয়োগ বন্ধ হবে না। ধীরে ধীরে এর ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের প্রতি কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’

জনপ্রিয়

‘আমি জানি না, সে আমাকে কেন মেরেছে’, নিজ বন্ধুর হাতে রক্তাক্ত কুবি শিক্ষার্থী

বাকৃবিতে বালাইনাশকের ঝুঁকি হ্রাসে পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

প্রকাশিত ০৬:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

দেশে প্রচলিত বালাইনাশক ব্যবহারে ঝুঁকি কমাতে সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারে দুইদিন ব্যাপী কর্মশালাটি শুরু হয়।

‘পিআরআর এসবিসিসি ইমপ্লেমেন্টিং পার্টনার্স ট্রেনিং অ্যান্ড ফিল্ড আউটরীচ এক্টিভিটিস’ শীর্ষক পরিকল্পনা বিষয়ক এ কর্মশালা সেন্টার ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড বায়োসায়েন্সেস ইন্টারন্যাশনাল (ক্যাবই)-এর প্ল্যান্টওয়াইজ প্লাস প্রোগ্রামের আওতায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। এটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্ল্যান্ট প্রোটেক্টিং উইং ও ক্যাবই প্ল্যান্ট ওয়াইজ প্লাস প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।

কর্মশালা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড জি এম মুজিবর রহমান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সিএবি ইন্টারন্যাশনালের প্রকল্প পরিচালক ড. দিলরুবা শারমিন, ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশন ম্যানেজার আজমত আব্বাস ও সীড প্যাথলজি সেন্টারের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহমুদুল হাসান চৌধুরী। এসময় ময়মনসিংহের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পেস্টিসাইড ডিলার ও এমএস শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবই’র ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশন ম্যানেজার আজমত আব্বাস। তিনি কৃষিক্ষেত্রে বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরেন। কৃষকের স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, ‘এই কর্মশালাটি একই সাথে আকর্ষণীয় ও চ্যালেঞ্জিং। বালাইনাশকের ক্ষতিকর দিকসমূহ কম বেশি সব কৃষকই জানে। তারপরও কিছু কিছু ফসলে পোকার আক্রমণ একই বেশি যে, অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে কৃষক বালাইনাশক ব্যবহার করে৷ কিন্তু ফসলে বালাইনাশক ব্যবহারে মাটির, সেঁচের পানির ক্ষতিসহ আরও ক্ষতিকর বিষয়গুলোতে বিস্তর জ্ঞানার্জনের জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, হঠাৎ করে বালাইনাশকের প্রয়োগ বন্ধ হবে না। ধীরে ধীরে এর ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের প্রতি কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’