কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) সাইকেলপ্রেমী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সিওইউ সাইক্লিস্ট’-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওমর ফারুক এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী চৌধুরী সুপ্রতীক বড়ুয়া।
শনিবার (৫ এপ্রিল) সদ্য সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক রাকিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মুহাম্মদ জুনাইদ ও নুসরাত জাহান চৈতি। কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে প্রান্ত ঘোস ও সায়েম শেখ। এছাড়াও কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ইশতিয়াক আহমেদ পিয়াল, অফিস সম্পাদক হিসেবে তাসপিক জাহান, প্রকাশনা এবং সামাজিক মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আলী আকবর ও হারেছ আহমেদ, ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রিফাতুল ইসলাম, লজিস্টিক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা সম্পাদক ওমর হোসাইন মিশকাত এবং কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন আবদুল মালেক ও নাইম খান।
সদ্য মনোনীত সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী সুপ্রতীক বড়ুয়া বলেন ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইক্লিংভিত্তিক সংগঠন কুবি সাইক্লিস্ট দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব যাতায়াত, সক্রিয় জীবনধারা এবং সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সম্মানিত মনে করছি। আগামী দিনে নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে আরও বেশি সচেতনতামূলক র্যালি, ইভেন্ট ও বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব।’
সদ্য মনোনীত সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক বলেন ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিস্ট গ্রুপ শুধু একটি সাইক্লিং সংগঠন নয়; এটি সুস্থ জীবনধারা, পরিবেশ সচেতনতা এবং ইতিবাচক ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে তোলার একটি সক্রিয় প্ল্যাটফর্ম। আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাইক্লিং সংস্কৃতি বিস্তার, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব চলাচল নিশ্চিত করা এবং একটি সবুজ ও স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গঠনে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন ‘সভাপতি হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করে তুলতে পারব। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে অবদান রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’



















