ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জাবিতে বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ঘোষণা Logo সেমিস্টার ফি জমা দিতে দীর্ঘ লাইন, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা Logo রাবির জিয়া হলে ‘নারী থাকা সন্দেহে’ তল্লাশির অভিযোগে হল সংসদের এজিএসসহ ৩ শিক্ষার্থীর আবাসিকতা সাময়িক স্থগিত Logo নতুন স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে কুবিতে নবীনদের যাত্রা Logo জাবির ভাসানী হলের পুকুরে দূষিত পানির প্রবাহ বন্ধে স্মারকলিপি Logo বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ২য় ইন্টার্নশিপের উদ্বোধন Logo কুবির লক্ষ্মীপুর স্টুডেন্টস ক্লাবের নেতৃত্বে হামিম–আরেফিন Logo পয়লা বৈশাখ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার Logo হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ওপর দুর্বত্তদের হামলা, মামলা দায়ের Logo গায়ক-গায়িকা থেকে নায়ক-নায়িকা: ‘তুমি আমি শুধু’তে জুটি জেফার–প্রীতম

ইবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের লেখক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠান

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৮:০৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৮৭ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) লেখক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখা।

সোমবার (১০জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। আয়োজনে সেরা লেখকদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এসময় তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখা সভাপতি খায়রুজ্জামান খান সানির সভাপতিত্বে মহিমা খান ও তারেক বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও নর্দান ইউনিভার্সিটির সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, টিএসসিসি পরিচালক অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন, আইআইইআর পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইন।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয়, ইবি শাখার উপদেষ্টা আবু তালহা আকাশ।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও নর্দান ইউনিভার্সিটির সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করীম বলেন, আমি ৬২ বছর ধরে পড়াচ্ছি। তরুণদের সঙ্গেই আমরা সার্বক্ষণিক উঠাবসা। তার মানে কিন্তু, আমি এখনো তরুণ আছি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে এই তরুণ সমাজকে। আর প্রতিরোধের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে লেখনীর মাধ্যমে প্রতিরোধ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, পাঠকের মৃত্যু ঘটে কিন্তু লেখকের মৃত্যু ঘটে না। কারণ লেখার মৃত্যু ঘটে না। যদি আমরা ইতিহাসের দিকে তাকাই, দেখবো লেখনীর মাধ্যমেই জ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছে সারা পৃথিবীতে। আর এই জ্ঞানের যাত্রা অব্যহত আছে। অনন্ত কালের দিকে অগ্রসর হচ্ছে লেখনীর মাধ্যমে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সবাই যদি লেখালেখি করে তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। লেখা সমাজের দর্শনকে মানুষের কাছে তুলে ধরে। লেখার মাধ্যমে সমাজকে চেনা যায়।

জনপ্রিয়

জাবিতে বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ঘোষণা

ইবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের লেখক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠান

প্রকাশিত ০৮:০৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) লেখক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখা।

সোমবার (১০জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। আয়োজনে সেরা লেখকদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এসময় তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখা সভাপতি খায়রুজ্জামান খান সানির সভাপতিত্বে মহিমা খান ও তারেক বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও নর্দান ইউনিভার্সিটির সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, টিএসসিসি পরিচালক অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন, আইআইইআর পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইন।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম কেন্দ্রীয় সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয়, ইবি শাখার উপদেষ্টা আবু তালহা আকাশ।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও নর্দান ইউনিভার্সিটির সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করীম বলেন, আমি ৬২ বছর ধরে পড়াচ্ছি। তরুণদের সঙ্গেই আমরা সার্বক্ষণিক উঠাবসা। তার মানে কিন্তু, আমি এখনো তরুণ আছি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে এই তরুণ সমাজকে। আর প্রতিরোধের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে লেখনীর মাধ্যমে প্রতিরোধ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, পাঠকের মৃত্যু ঘটে কিন্তু লেখকের মৃত্যু ঘটে না। কারণ লেখার মৃত্যু ঘটে না। যদি আমরা ইতিহাসের দিকে তাকাই, দেখবো লেখনীর মাধ্যমেই জ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছে সারা পৃথিবীতে। আর এই জ্ঞানের যাত্রা অব্যহত আছে। অনন্ত কালের দিকে অগ্রসর হচ্ছে লেখনীর মাধ্যমে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সবাই যদি লেখালেখি করে তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। লেখা সমাজের দর্শনকে মানুষের কাছে তুলে ধরে। লেখার মাধ্যমে সমাজকে চেনা যায়।