ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

৮৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় চীন, সৌদি-আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৮০ হাজার টন ডিএপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৫০ কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশে মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৪১ কোটি ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৮৫.৫০ ডলার।

বৈঠকে সার কেনার বাকি দুটি প্রস্তাব নিয়ে আসে কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে একটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চীন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট) সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

জানা গেছে, বিএডিসি কর্তৃক চীন থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক নীতিগত অনুমোদিত হয়। বিএডিসি ও চীনের মধ্যে গত ১০ জানুয়ারি সার আমদানির জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে চীন থেকে প্রথম লটে ৪০ হাজার (+১০%) টন ডিএপি সার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে এই সারের জন্য ব্যয় হবে ২ কোটি ৯১ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৫৮ কোটি ২০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রতি টন ডিএপি সারের দাম ধরা হয়েছে ৭২৯.২৫ ডলার।

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদিআরব থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট) সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এই সার আমদানিতে ব্যয় হবে ২ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৫১ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি টন ডিএপি সারের দাম ধরা হয়েছে ৭১৫ ডলার।

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

৮৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

প্রকাশিত ০৮:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় চীন, সৌদি-আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৮০ হাজার টন ডিএপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৫০ কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশে মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৪১ কোটি ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৮৫.৫০ ডলার।

বৈঠকে সার কেনার বাকি দুটি প্রস্তাব নিয়ে আসে কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে একটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চীন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট) সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

জানা গেছে, বিএডিসি কর্তৃক চীন থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক নীতিগত অনুমোদিত হয়। বিএডিসি ও চীনের মধ্যে গত ১০ জানুয়ারি সার আমদানির জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে চীন থেকে প্রথম লটে ৪০ হাজার (+১০%) টন ডিএপি সার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে এই সারের জন্য ব্যয় হবে ২ কোটি ৯১ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৫৮ কোটি ২০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রতি টন ডিএপি সারের দাম ধরা হয়েছে ৭২৯.২৫ ডলার।

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদিআরব থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট) সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এই সার আমদানিতে ব্যয় হবে ২ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৫১ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি টন ডিএপি সারের দাম ধরা হয়েছে ৭১৫ ডলার।