ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

রোববার সব জেলায় ‘জুলাইযোদ্ধাদের’ অবরোধ

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের ‘শহীদ’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, আহত ব্যক্তিদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি, শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এবং আহত ব্যক্তিদের জন্য আইনি সহায়তা এসব দাবি পূর্ণাঙ্গভাবে ‘জুলাই সনদে’ উল্লেখ ও বাস্তবায়নের বিষয়টি যুক্ত না হওয়ায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জুলাই যোদ্ধারা। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই যোদ্ধা সংসদের মুখ্য সংগঠক মাসুদ রানা সৌরভ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, এ ঘটনার প্রতিবাদে ও তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আগামী রোববার (১৯ অক্টোবর) দেশের প্রতিটি জেলায় দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হবে।

সৌরভ বলেন, আমরা হামলার শিকার হয়েছি। আমাদের ওপর হওয়া হামলার প্রতিবাদ এবং আমাদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য রোববার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রতিটি জেলা শহরের মহাসড়কে অবরোধ পালিত হবে। অবরোধে জুলাই আহতদের সঙ্গে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের জীবন ও রক্তের স্বীকৃতি না পাই, ভবিষ্যতে এ রাষ্ট্রে আর বিপ্লবী জন্ম হবে না।

 

তিন দফা দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের ‘বীর’ মর্যাদা দিয়ে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান, আহত ও শহীদ পরিবারদের পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করা এবং আহতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা ও হয়রানি বন্ধ রাখতে দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করা জুলাই যোদ্ধাদের ধাওয়া দিয়ে ওই এলাকা থেকে বের করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর পুরো সংসদ ভবন ঘিরে রাখে নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২৬ মিনিটের দিকে জুলাই যোদ্ধা দাবি করা একটি পক্ষ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার পর পর্যন্ত চলতে থাকে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

জানা যায়, গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়া জুলাই যোদ্ধাদের মঞ্চ এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা সংসদ ভবন এলাকার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও এবিপিএন সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন।

 

এর আগে, শুক্রবার সকালে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে অনেকেই সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ারে বসে স্লোগান দিতে থাকেন।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

রোববার সব জেলায় ‘জুলাইযোদ্ধাদের’ অবরোধ

প্রকাশিত ১০:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের ‘শহীদ’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, আহত ব্যক্তিদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি, শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এবং আহত ব্যক্তিদের জন্য আইনি সহায়তা এসব দাবি পূর্ণাঙ্গভাবে ‘জুলাই সনদে’ উল্লেখ ও বাস্তবায়নের বিষয়টি যুক্ত না হওয়ায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জুলাই যোদ্ধারা। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই যোদ্ধা সংসদের মুখ্য সংগঠক মাসুদ রানা সৌরভ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, এ ঘটনার প্রতিবাদে ও তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আগামী রোববার (১৯ অক্টোবর) দেশের প্রতিটি জেলায় দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হবে।

সৌরভ বলেন, আমরা হামলার শিকার হয়েছি। আমাদের ওপর হওয়া হামলার প্রতিবাদ এবং আমাদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য রোববার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রতিটি জেলা শহরের মহাসড়কে অবরোধ পালিত হবে। অবরোধে জুলাই আহতদের সঙ্গে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের জীবন ও রক্তের স্বীকৃতি না পাই, ভবিষ্যতে এ রাষ্ট্রে আর বিপ্লবী জন্ম হবে না।

 

তিন দফা দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের ‘বীর’ মর্যাদা দিয়ে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান, আহত ও শহীদ পরিবারদের পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করা এবং আহতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা ও হয়রানি বন্ধ রাখতে দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করা জুলাই যোদ্ধাদের ধাওয়া দিয়ে ওই এলাকা থেকে বের করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর পুরো সংসদ ভবন ঘিরে রাখে নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২৬ মিনিটের দিকে জুলাই যোদ্ধা দাবি করা একটি পক্ষ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার পর পর্যন্ত চলতে থাকে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

জানা যায়, গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়া জুলাই যোদ্ধাদের মঞ্চ এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা সংসদ ভবন এলাকার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও এবিপিএন সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন।

 

এর আগে, শুক্রবার সকালে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে অনেকেই সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ারে বসে স্লোগান দিতে থাকেন।