জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য প্রণীত শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন জাকসুর সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এ আবেদনটিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক আবু উবায়দা উসামা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি প্রণীত নতুন ও যুগোপযোগী শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দুঃখজনকভাবে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের আগেই প্রকাশিত কিছু শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এখনো কার্যকর রয়েছে। এসব পুরোনো বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হলে নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য, স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।
আবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নতুন নীতিমালার আলোকে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, ন্যায়সঙ্গত ও মানসম্মত হবে এবং এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ সুদৃঢ় হবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক আবু উবায়দা উসামা বলেন, “২০২৫ সালের নতুন শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা সিন্ডিকেট অনুমোদিত ও কার্যকর। এর আগগে ১৯৮৯ ও ২০১৬ সালের নীতিমালায় ডেমো ক্লাস ও প্রেজেন্টেশন না থাকায় নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। নতুন নীতিমালায় ডেমো ক্লাস, প্রেজেন্টেশন ও ৫০ মিনিটের কাঠামোবদ্ধ ভাইভা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।”
“পুরোনো নিয়মে দেওয়া সার্কুলেশন বাতিল করে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পুনরায় সার্কুলেশন দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করার দাবী জানানো হয়েছে” বলেও জানান উসামা।
এসময় জাকসুর সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক এবং কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতি উপস্থিত ছিলেন।



















