ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! Logo মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন মিগেল আলমিরন Logo ভিনিসিয়ুস-কুনহার নৈপুণ্যে হাইতিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয় Logo ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় তরুণদের সঙ্গে ভিভোর দৃঢ় সংযোগ Logo মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ Logo ইশরাকের উদ্যোগে কবি নজরুল কলেজে ছাত্রদলের এলইডি স্ক্রিন স্থাপন Logo প্রবাসীর বউ নিয়ে গেল ‘জিনের বাদশা’ Logo ঢাকার মাদরাসায় মিলল ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র Logo বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির রোডম্যাপ হিসেবে ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে আইবিএফবি Logo ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে।
রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারী) সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এএসভিএম বিভাগের শিক্ষক ড. আহসান সৌরভকে নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রক্টর পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ছাত্রদলের একাংশ অবস্থান নিলে অপরপক্ষের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার সম্পাদক নাহিদুর রহমান সাকিব আহত হন। গুরুতর আহত নাহিদুর রহমান সাকিবকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, এএসভিএম বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করতে গেলে সহ-সভাপতি জহির লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে জহির প্রচার সম্পাদক নাহিদের ওপর চড়াও হন। পরে কয়েকজন মিলে নাহিদের ওপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির বলেন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ারের কক্ষে প্রবেশের সময় ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে নাহিদুর রহমান সাকিব তাকে আক্রমণ করেন। একই সময় একজন শিক্ষক তার কলার ধরে টান দেন। এরপর কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ছাত্রদলের একাংশ প্রশাসনিক ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে, আরেক অংশ ভবনের ভেতরে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দীন শেখর বলেন, “বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

জনপ্রিয়

আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে!

প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ

প্রকাশিত ০৮:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে।
রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারী) সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এএসভিএম বিভাগের শিক্ষক ড. আহসান সৌরভকে নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রক্টর পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ছাত্রদলের একাংশ অবস্থান নিলে অপরপক্ষের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার সম্পাদক নাহিদুর রহমান সাকিব আহত হন। গুরুতর আহত নাহিদুর রহমান সাকিবকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, এএসভিএম বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করতে গেলে সহ-সভাপতি জহির লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে জহির প্রচার সম্পাদক নাহিদের ওপর চড়াও হন। পরে কয়েকজন মিলে নাহিদের ওপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির বলেন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ারের কক্ষে প্রবেশের সময় ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে নাহিদুর রহমান সাকিব তাকে আক্রমণ করেন। একই সময় একজন শিক্ষক তার কলার ধরে টান দেন। এরপর কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ছাত্রদলের একাংশ প্রশাসনিক ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে, আরেক অংশ ভবনের ভেতরে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দীন শেখর বলেন, “বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”