ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আওয়ামিলীগকে সেফ মনে করলে শহীদ হওয়া ভাইবোনদের কথা স্মরণ কইরেন : আম্মার  Logo জাবি ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ছাব্বিশের চোখে বায়ান্ন’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনী Logo প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ Logo ‎পাবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের স্বস্তির নিঃশ্বাস Logo ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফটো কনটেস্ট ২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‎ Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় Logo মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে জাবি শিবিরের আলোকসজ্জা Logo রাবিতে ভর্তির বিষয় পছন্দক্রম শুরু আজ : শিক্ষার্থীদের জরুরি নির্দেশনা Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা জরুরি : ইশরাক হোসেন Logo ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে।
রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারী) সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এএসভিএম বিভাগের শিক্ষক ড. আহসান সৌরভকে নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রক্টর পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ছাত্রদলের একাংশ অবস্থান নিলে অপরপক্ষের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার সম্পাদক নাহিদুর রহমান সাকিব আহত হন। গুরুতর আহত নাহিদুর রহমান সাকিবকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, এএসভিএম বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করতে গেলে সহ-সভাপতি জহির লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে জহির প্রচার সম্পাদক নাহিদের ওপর চড়াও হন। পরে কয়েকজন মিলে নাহিদের ওপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির বলেন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ারের কক্ষে প্রবেশের সময় ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে নাহিদুর রহমান সাকিব তাকে আক্রমণ করেন। একই সময় একজন শিক্ষক তার কলার ধরে টান দেন। এরপর কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ছাত্রদলের একাংশ প্রশাসনিক ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে, আরেক অংশ ভবনের ভেতরে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দীন শেখর বলেন, “বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

জনপ্রিয়

আওয়ামিলীগকে সেফ মনে করলে শহীদ হওয়া ভাইবোনদের কথা স্মরণ কইরেন : আম্মার 

প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ

প্রকাশিত ০৮:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে।
রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারী) সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এএসভিএম বিভাগের শিক্ষক ড. আহসান সৌরভকে নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রক্টর পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ছাত্রদলের একাংশ অবস্থান নিলে অপরপক্ষের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার সম্পাদক নাহিদুর রহমান সাকিব আহত হন। গুরুতর আহত নাহিদুর রহমান সাকিবকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, এএসভিএম বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করতে গেলে সহ-সভাপতি জহির লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে জহির প্রচার সম্পাদক নাহিদের ওপর চড়াও হন। পরে কয়েকজন মিলে নাহিদের ওপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির বলেন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ারের কক্ষে প্রবেশের সময় ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে নাহিদুর রহমান সাকিব তাকে আক্রমণ করেন। একই সময় একজন শিক্ষক তার কলার ধরে টান দেন। এরপর কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ছাত্রদলের একাংশ প্রশাসনিক ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে, আরেক অংশ ভবনের ভেতরে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দীন শেখর বলেন, “বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”