ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দীর্ঘ ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় Logo তারেক জিয়াকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে, খালেদা জিয়া আলেমদের মূল্যায়ন করেছেন : ধর্মমন্ত্রী  Logo টানা ২৩ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় Logo কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক Logo ইতিহাসের সর্ববৃহৎ উন্মুক্ত ইফতার আয়োজন ববি ছাত্রশিবিরের Logo ‎কুবি কুরআন ক্লাবের ‘রমাদান ফেস্ট-২০২৬’: তিলাওয়াত ও ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতার ফল ঘোষণা Logo রাবি শাখা ছাত্রপক্ষের মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল Logo যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  Logo খুব শীঘ্রই সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করা হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নোবিপ্রবিতে কৃষি বিভাগের ৩০ লক্ষ টাকার প্রজেক্টের ইনসেপশন ওয়ার্কশালা

নোবিপ্রবিতে কৃষি বিভাগের ৩০ লক্ষ টাকার প্রজেক্টের ইনসেপশন ওয়ার্কশালা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের পরিচালনায় এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ৩০ লক্ষ টাকার যৌথ প্রজেক্টের উদ্বোধন উপলক্ষে ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) নোবিপ্রবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘স্পেশাল করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR) ফান্ডেড প্রজেক্ট বাই সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক ওই ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।

নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চৌমুহনী ব্রাঞ্চের প্রধান কর্মকর্তা জনাব নূর উদ্দিন আফসার। পরে প্রজেক্ট সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর (PI) এবং কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান রুবেল এবং কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. পীযূষ কান্তি ঝাঁ।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সাউথ ইস্ট ব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষিকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত এ প্রজেক্টে ফান্ডিং করার জন্য। প্রজেক্টটি সরেজমিন পরিদর্শন করে আমরা বিশেষ কিছু ফলাফল দেখতে  পেয়েছি, যেমন মাটির লবণাক্ততা যে এই অঞ্চলে ফসল উৎপাদন ব্যহত করছে তা দৃশ্যমান হয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের প্রজেক্টের গবেষণালব্ধ যে জ্ঞান, তা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তখনই এর সুফল পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে গবেষণার জন্য অর্থায়নের অনেক সুযোগ আসবে। সুতরাং এসব গবেষণাকে শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে বাজারজাতকরণের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এই গবেষণা থেকে যদি কোনো পেটেন্ট তৈরি হয়, তখন তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

ওয়ার্কশপ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

দীর্ঘ ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

নোবিপ্রবিতে কৃষি বিভাগের ৩০ লক্ষ টাকার প্রজেক্টের ইনসেপশন ওয়ার্কশালা

প্রকাশিত ০৬:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের পরিচালনায় এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ৩০ লক্ষ টাকার যৌথ প্রজেক্টের উদ্বোধন উপলক্ষে ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) নোবিপ্রবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘স্পেশাল করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR) ফান্ডেড প্রজেক্ট বাই সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক ওই ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।

নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চৌমুহনী ব্রাঞ্চের প্রধান কর্মকর্তা জনাব নূর উদ্দিন আফসার। পরে প্রজেক্ট সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর (PI) এবং কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান রুবেল এবং কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. পীযূষ কান্তি ঝাঁ।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সাউথ ইস্ট ব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষিকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত এ প্রজেক্টে ফান্ডিং করার জন্য। প্রজেক্টটি সরেজমিন পরিদর্শন করে আমরা বিশেষ কিছু ফলাফল দেখতে  পেয়েছি, যেমন মাটির লবণাক্ততা যে এই অঞ্চলে ফসল উৎপাদন ব্যহত করছে তা দৃশ্যমান হয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের প্রজেক্টের গবেষণালব্ধ যে জ্ঞান, তা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তখনই এর সুফল পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে গবেষণার জন্য অর্থায়নের অনেক সুযোগ আসবে। সুতরাং এসব গবেষণাকে শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে বাজারজাতকরণের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এই গবেষণা থেকে যদি কোনো পেটেন্ট তৈরি হয়, তখন তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

ওয়ার্কশপ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।