ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! Logo মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন মিগেল আলমিরন Logo ভিনিসিয়ুস-কুনহার নৈপুণ্যে হাইতিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয় Logo ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় তরুণদের সঙ্গে ভিভোর দৃঢ় সংযোগ Logo মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ Logo ইশরাকের উদ্যোগে কবি নজরুল কলেজে ছাত্রদলের এলইডি স্ক্রিন স্থাপন Logo প্রবাসীর বউ নিয়ে গেল ‘জিনের বাদশা’ Logo ঢাকার মাদরাসায় মিলল ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র Logo বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির রোডম্যাপ হিসেবে ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে আইবিএফবি Logo ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নোবিপ্রবিতে কৃষি বিভাগের ৩০ লক্ষ টাকার প্রজেক্টের ইনসেপশন ওয়ার্কশালা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের পরিচালনায় এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ৩০ লক্ষ টাকার যৌথ প্রজেক্টের উদ্বোধন উপলক্ষে ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) নোবিপ্রবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘স্পেশাল করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR) ফান্ডেড প্রজেক্ট বাই সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক ওই ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।

নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চৌমুহনী ব্রাঞ্চের প্রধান কর্মকর্তা জনাব নূর উদ্দিন আফসার। পরে প্রজেক্ট সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর (PI) এবং কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান রুবেল এবং কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. পীযূষ কান্তি ঝাঁ।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সাউথ ইস্ট ব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষিকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত এ প্রজেক্টে ফান্ডিং করার জন্য। প্রজেক্টটি সরেজমিন পরিদর্শন করে আমরা বিশেষ কিছু ফলাফল দেখতে  পেয়েছি, যেমন মাটির লবণাক্ততা যে এই অঞ্চলে ফসল উৎপাদন ব্যহত করছে তা দৃশ্যমান হয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের প্রজেক্টের গবেষণালব্ধ যে জ্ঞান, তা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তখনই এর সুফল পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে গবেষণার জন্য অর্থায়নের অনেক সুযোগ আসবে। সুতরাং এসব গবেষণাকে শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে বাজারজাতকরণের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এই গবেষণা থেকে যদি কোনো পেটেন্ট তৈরি হয়, তখন তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

ওয়ার্কশপ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে!

নোবিপ্রবিতে কৃষি বিভাগের ৩০ লক্ষ টাকার প্রজেক্টের ইনসেপশন ওয়ার্কশালা

প্রকাশিত ০৬:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের পরিচালনায় এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ৩০ লক্ষ টাকার যৌথ প্রজেক্টের উদ্বোধন উপলক্ষে ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) নোবিপ্রবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘স্পেশাল করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR) ফান্ডেড প্রজেক্ট বাই সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক ওই ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।

নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও সাউথ ইস্ট ব্যাংক পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চৌমুহনী ব্রাঞ্চের প্রধান কর্মকর্তা জনাব নূর উদ্দিন আফসার। পরে প্রজেক্ট সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর (PI) এবং কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান রুবেল এবং কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রজেক্টের কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. পীযূষ কান্তি ঝাঁ।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সাউথ ইস্ট ব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষিকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত এ প্রজেক্টে ফান্ডিং করার জন্য। প্রজেক্টটি সরেজমিন পরিদর্শন করে আমরা বিশেষ কিছু ফলাফল দেখতে  পেয়েছি, যেমন মাটির লবণাক্ততা যে এই অঞ্চলে ফসল উৎপাদন ব্যহত করছে তা দৃশ্যমান হয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের প্রজেক্টের গবেষণালব্ধ যে জ্ঞান, তা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তখনই এর সুফল পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে গবেষণার জন্য অর্থায়নের অনেক সুযোগ আসবে। সুতরাং এসব গবেষণাকে শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে বাজারজাতকরণের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এই গবেষণা থেকে যদি কোনো পেটেন্ট তৈরি হয়, তখন তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

ওয়ার্কশপ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।