ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

ইবি শিক্ষিকা হত্যার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে সমাজকর্ম সমিতি ও সমাজকর্ম বিভাগের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা সাদিয়া হত্যাকান্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং বিচারের জোর দাবি জানান।

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান আসমা সাদিয়া রুমা আপু তার নিজ বিভাগীয় কক্ষে তার বিভাগেরই কর্মচারী দ্বারা খুন হয়েছে। আপুর মৃত্যু আমাদের দেশের শিক্ষক সমাজের নিরাপত্তাহীনতার একটি চিহ্ন। এই ঘটনার খুনি বেঁচে আছে এখনো আমার দৃষ্টিতে তার বিচার তার ফাঁসি পর্দার আড়ালে না হয়ে এমনভাবে হোক যেনো তার শাস্তি দেখে মানুষ শিক্ষা পাই।

সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড.তানজিমা জোহরা বলেন, আমাদের সাবেক শিক্ষার্থী ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা যেভাবে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছে, আজ আমরা তার প্রতিবাদ করার জন্য দাঁড়িয়েছি। এটা এমন একটি ঘটনা যা মেনে নেয়ার মতো না এবং বিশ্বাসযোগ্যও না। যারা ওর সহকারী ছিলেন তারা জানেন ও কতোটা নম্র। আমি যতদূর জানি ও সভাপতির দায়িত্ব নেয়ার পর নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তার বিভাগকে পরিচালনার চেষ্টা করেছিলো। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে চলার ফলশ্রুতিতে তাকে প্রাণ দিতে হলো। নৈতিকভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করা যদি অপরাধ হয়ে যায়, তাহলে আমরা সবাইই তো অপরাধী। আমরা এই হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার চাই

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরে প্রশাসক অধ্যাপক ড.আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, এরকম একজন অমায়িক, নম্র এবং ভদ্র শিক্ষিকা কি কারণে হত্যাকান্ডের শিকার হয়। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ দেখতে চাই, বাংলাদেশ সরকারের যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্বে আছে তাদের পদক্ষেপ দেখতে চাই। অবিলম্বে আমরা চাই যার কারণে যে বিভাগের অদক্ষতার কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তাদেরকে চিহ্নিত করে খুনী এবং খুনী চক্রকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আসবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বেতন নিয়ে ঝামেলা ও অন্য বিভাগে বদলির জেরে নিজ বিভাগের কর্মচারীর চুরিকাঘাতে নিহত হন ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা।

সায়েম / রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

ইবি শিক্ষিকা হত্যার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন 

প্রকাশিত ০২:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে সমাজকর্ম সমিতি ও সমাজকর্ম বিভাগের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা সাদিয়া হত্যাকান্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং বিচারের জোর দাবি জানান।

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান আসমা সাদিয়া রুমা আপু তার নিজ বিভাগীয় কক্ষে তার বিভাগেরই কর্মচারী দ্বারা খুন হয়েছে। আপুর মৃত্যু আমাদের দেশের শিক্ষক সমাজের নিরাপত্তাহীনতার একটি চিহ্ন। এই ঘটনার খুনি বেঁচে আছে এখনো আমার দৃষ্টিতে তার বিচার তার ফাঁসি পর্দার আড়ালে না হয়ে এমনভাবে হোক যেনো তার শাস্তি দেখে মানুষ শিক্ষা পাই।

সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড.তানজিমা জোহরা বলেন, আমাদের সাবেক শিক্ষার্থী ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা যেভাবে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছে, আজ আমরা তার প্রতিবাদ করার জন্য দাঁড়িয়েছি। এটা এমন একটি ঘটনা যা মেনে নেয়ার মতো না এবং বিশ্বাসযোগ্যও না। যারা ওর সহকারী ছিলেন তারা জানেন ও কতোটা নম্র। আমি যতদূর জানি ও সভাপতির দায়িত্ব নেয়ার পর নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তার বিভাগকে পরিচালনার চেষ্টা করেছিলো। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে চলার ফলশ্রুতিতে তাকে প্রাণ দিতে হলো। নৈতিকভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করা যদি অপরাধ হয়ে যায়, তাহলে আমরা সবাইই তো অপরাধী। আমরা এই হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার চাই

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরে প্রশাসক অধ্যাপক ড.আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, এরকম একজন অমায়িক, নম্র এবং ভদ্র শিক্ষিকা কি কারণে হত্যাকান্ডের শিকার হয়। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ দেখতে চাই, বাংলাদেশ সরকারের যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্বে আছে তাদের পদক্ষেপ দেখতে চাই। অবিলম্বে আমরা চাই যার কারণে যে বিভাগের অদক্ষতার কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তাদেরকে চিহ্নিত করে খুনী এবং খুনী চক্রকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আসবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বেতন নিয়ে ঝামেলা ও অন্য বিভাগে বদলির জেরে নিজ বিভাগের কর্মচারীর চুরিকাঘাতে নিহত হন ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা।

সায়েম / রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়