ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৯ সেকেন্ডেই সুপারকম্পিউটারের শতবছরের কাজ সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার Logo দেড় লাখ টাকা জরিমানা, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো Logo স্কুলে ছেলের সঙ্গে ঝগড়া, শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অভিভাবকের আছাড় Logo মির্জাপুরে দুর্গামন্দিরের ৭টি প্রতিমা ভাঙচুর Logo নেপালে ঝুঁকিতে প্রায় ৭০০ ট্রেকার, হেলিকপ্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে অনেককে Logo কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তায় নতুন সুবিধা চালু করল হোয়াটসঅ্যাপ Logo বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে আদালত চত্বরে আওয়ামীপন্থী তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ Logo মিরপুরে বাসচাপায় নারী আরোহীসহ চালক নিহত Logo সন্তানকে ছেড়ে হাসপাতালে ভর্তি হননি মা, ডেঙ্গুতে ছাড়তে হলো পৃথিবীই Logo রিসোর্ট-এনজিওতে ‘মেহমান’ পরিচয়ে রাতভর মুখস্থ করানো হতো ফাঁস করা প্রশ্নের উত্তর

নেপালে ঝুঁকিতে প্রায় ৭০০ ট্রেকার, হেলিকপ্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে অনেককে

টানা ভারী বর্ষণ এবং এর ফলে সৃষ্ট আকস্মিক ভূমিধসের কারণে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নেপালের বিভিন্ন জনপদ। দেশটির পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলগুলোতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পর্যটক ও পর্বতারোহীরা বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় পর্যটন রুট অন্নপূর্ণা সার্কিট এলাকায় প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের কারণে পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জেরে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় সেখানে আটকে পড়েছেন দেশি-বিদেশি বহু অভিযাত্রী।

প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা অঞ্চলসহ বিভিন্ন দুর্গম ট্রেইলে আটকে পড়া ট্রেকারদের সংখ্যা প্রায় সাতশ’র কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। হঠাৎ নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে এসব এলাকার পাহাড়ি পথঘাটগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে পর্যটকরা আশ্রয়হীন হয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে আটকা পড়ে আছেন এবং তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিপজ্জনক এই পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটররা।

আটকে পড়া ট্রেকারদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ইতোমধ্যে উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে নেপাল সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে পর্যটকদের উদ্ধার করতে বিশেষ হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ঘন কুয়াশার কারণে আকাশপথে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও জীবনঝুঁকি এড়াতে আটকে থাকা অভিযাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নেপালের পাহাড়ি অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে প্রতিবছরই বড় ধরনের প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে হিমালয়ের কোলঘেঁষা এই দেশটি। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং পর্যটকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পাহাড়ি ট্রেইলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার কঠোর পরামর্শ দিয়েছে।

জনপ্রিয়

১৯ সেকেন্ডেই সুপারকম্পিউটারের শতবছরের কাজ সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার

নেপালে ঝুঁকিতে প্রায় ৭০০ ট্রেকার, হেলিকপ্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে অনেককে

প্রকাশিত ০৩:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ এবং এর ফলে সৃষ্ট আকস্মিক ভূমিধসের কারণে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নেপালের বিভিন্ন জনপদ। দেশটির পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলগুলোতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পর্যটক ও পর্বতারোহীরা বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় পর্যটন রুট অন্নপূর্ণা সার্কিট এলাকায় প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের কারণে পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জেরে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় সেখানে আটকে পড়েছেন দেশি-বিদেশি বহু অভিযাত্রী।

প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা অঞ্চলসহ বিভিন্ন দুর্গম ট্রেইলে আটকে পড়া ট্রেকারদের সংখ্যা প্রায় সাতশ’র কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। হঠাৎ নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে এসব এলাকার পাহাড়ি পথঘাটগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে পর্যটকরা আশ্রয়হীন হয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে আটকা পড়ে আছেন এবং তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিপজ্জনক এই পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটররা।

আটকে পড়া ট্রেকারদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ইতোমধ্যে উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে নেপাল সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে পর্যটকদের উদ্ধার করতে বিশেষ হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ঘন কুয়াশার কারণে আকাশপথে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও জীবনঝুঁকি এড়াতে আটকে থাকা অভিযাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নেপালের পাহাড়ি অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে প্রতিবছরই বড় ধরনের প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে হিমালয়ের কোলঘেঁষা এই দেশটি। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং পর্যটকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পাহাড়ি ট্রেইলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার কঠোর পরামর্শ দিয়েছে।