ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নাচের কথা বলে এনে ‘নৃত্যশিল্পীকে’ দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ Logo রাড্ডা–কাণ্ডে এমপি পদ ছাড়লেন মিস্টি, অন্যদের কী হবে? Logo শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ২ Logo পঞ্চমবারের মতো ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ শুরু হচ্ছে কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি, অস্থিতিশীলতা কঠোরভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি সংস্কৃতিমন্ত্রীর Logo ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭ জনের চারজন একই পরিবারের Logo পৃথিবী ধ্বংস হবে আগামী ১৩ নভেম্বর, বিজ্ঞান গবেষণাপত্রে জাদুকরের ভবিষ্যদ্বাণী Logo বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ইমাম বললেন—‘সেবা করতে গিয়েছিলাম’ Logo ওয়াশিংটন-নয়াদিল্লি সম্পর্কে টানাপোড়েন, মতবিরোধ প্রকাশ্যে Logo থানার সামনে পুলিশ সদস্যকে যুবদল নেতার মারধর, আটকের পর ছাড়া পেলেন বিএনপি নেতাদের জিম্মায়

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭ জনের চারজন একই পরিবারের

ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্ড্রপা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার সাতজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দিলে এটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার আকস্মিকতায় যাত্রীদের আর্তনাদে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে এবং তাঁরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দড়ি হামিদপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন লেবু, তাঁর মা রাশিদা বেগম, মেয়ে মর্জিনা এবং মর্জিনার শিশুসন্তান মিনাল। জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁরা ওই অটোরিকশায় যাত্রা করেছিলেন। তবে প্রাণ হারানো বাকি তিন যাত্রীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। পরে হতাহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই বড় ধরনের দুর্ঘটনার ফলে আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে, যার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল পুনরায় চালু হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে যে উভয় যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণেই এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। চালকরা নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারায় এই প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করতে সক্ষম হলেও ঘটনার পরপরই চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যায়। পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

নাচের কথা বলে এনে ‘নৃত্যশিল্পীকে’ দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭ জনের চারজন একই পরিবারের

প্রকাশিত ০৪:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্ড্রপা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার সাতজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দিলে এটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার আকস্মিকতায় যাত্রীদের আর্তনাদে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে এবং তাঁরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দড়ি হামিদপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন লেবু, তাঁর মা রাশিদা বেগম, মেয়ে মর্জিনা এবং মর্জিনার শিশুসন্তান মিনাল। জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁরা ওই অটোরিকশায় যাত্রা করেছিলেন। তবে প্রাণ হারানো বাকি তিন যাত্রীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। পরে হতাহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই বড় ধরনের দুর্ঘটনার ফলে আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে, যার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল পুনরায় চালু হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে যে উভয় যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণেই এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। চালকরা নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারায় এই প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করতে সক্ষম হলেও ঘটনার পরপরই চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যায়। পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।