ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঢাকা শহরে প্ল্যান ছাড়া বানানো ভবনগুলো শনাক্ত করছি: গণপূর্তমন্ত্রী Logo মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হবে নির্মোহ ও নির্ভুল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী Logo নতুন করে কেউ আ.লীগ হতে চাইলে পরিণতি হাসিনার মতোই হবে: রাশেদ প্রধান Logo বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা Logo প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি

নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ অপারেটর বাংলালিংক সম্প্রতি স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তিভিত্তিক একটি নতুন যোগাযোগ সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই অভিনব প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা দুর্গম অঞ্চল এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত ব্যবহারকারীরাও নিরবচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন। মূলত স্টারলিংকের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই আধুনিক সেবাটি চালু করা হয়েছে, যা দেশের টেলিকম খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের পাহাড়ি এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের একটি বড় সমস্যা ছিল মোবাইল নেটওয়ার্কের অনুপস্থিতি। সাধারণ টাওয়ারের সিগন্যাল এসব এলাকায় পৌঁছাতে না পারায় জরুরি মুহূর্তে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। নতুন এই স্যাটেলাইট সেবার ফলে সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন থেকে কোনো রকম টেরিস্ট্রিয়াল টাওয়ার ছাড়াই সরাসরি উপগ্রহের মাধ্যমে স্মার্টফোনে বার্তা পাঠানো কিংবা যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

<প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উদ্ধারকারী দল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো এই সেবার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন এই স্যাটেলাইট সংযোগ জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

বাংলালিংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের প্রতিটি কোণায় আধুনিক যোগাযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যের সঙ্গেই এই সেবাটি যুক্ত। খুব শীঘ্রই গ্রাহক পর্যায়ে এই প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং এর বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এই উদ্যোগ দেশের টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বমানের প্রযুক্তির আরও এক ধাপ কাছাকাছি নিয়ে গেল।

জনপ্রিয়

ঢাকা শহরে প্ল্যান ছাড়া বানানো ভবনগুলো শনাক্ত করছি: গণপূর্তমন্ত্রী

নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের

প্রকাশিত ০৩:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ অপারেটর বাংলালিংক সম্প্রতি স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তিভিত্তিক একটি নতুন যোগাযোগ সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই অভিনব প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা দুর্গম অঞ্চল এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত ব্যবহারকারীরাও নিরবচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন। মূলত স্টারলিংকের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই আধুনিক সেবাটি চালু করা হয়েছে, যা দেশের টেলিকম খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের পাহাড়ি এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের একটি বড় সমস্যা ছিল মোবাইল নেটওয়ার্কের অনুপস্থিতি। সাধারণ টাওয়ারের সিগন্যাল এসব এলাকায় পৌঁছাতে না পারায় জরুরি মুহূর্তে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। নতুন এই স্যাটেলাইট সেবার ফলে সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন থেকে কোনো রকম টেরিস্ট্রিয়াল টাওয়ার ছাড়াই সরাসরি উপগ্রহের মাধ্যমে স্মার্টফোনে বার্তা পাঠানো কিংবা যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

<প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উদ্ধারকারী দল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো এই সেবার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন এই স্যাটেলাইট সংযোগ জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

বাংলালিংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের প্রতিটি কোণায় আধুনিক যোগাযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যের সঙ্গেই এই সেবাটি যুক্ত। খুব শীঘ্রই গ্রাহক পর্যায়ে এই প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং এর বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এই উদ্যোগ দেশের টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বমানের প্রযুক্তির আরও এক ধাপ কাছাকাছি নিয়ে গেল।