ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

জলবায়ু অর্থায়নে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপে জোর বাংলাদেশের

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের নিজ নিজ দায়িত্ব গ্রহণ, অভিযোজন এবং প্রশমন উদ্যোগের সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়নের ওপর দ্রুত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর দিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক দূত ক্রিস্টিন টিলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে সাক্ষাতে এলে তিনি এ বিষয়ে জোর দেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশকে সর্বনিম্ন সিএফসি (CFC) এবং সিওটু (CO2) নির্গমনকারী, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-প্রভাবিত দেশগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ।

তিনি বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের তাদের দায়িত্ব গ্রহণ এবং অভিযোজন ও প্রশমন উদ্যোগের সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়নে দ্রুত এবং বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার ভূমিকার ওপর জোর দেন।

প্যারিস চুক্তির প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামে (সিভিএফ) সক্রিয় নেতৃত্ব এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২২ গ্রহণ এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার তিন শূন্য তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেটজিরো ভবিষ্যতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি উল্লেখ করে পররাষ্ট্রসচিব শীর্ষ নির্গমনকারী দেশগুলোকে বহুপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়ায় তাদের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে তিনি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করে জলবায়ু অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরকে সমর্থনে অস্ট্রেলিয়াকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

জসীম উদ্দিন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা কেবল বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং জনসংখ্যার ক্ষেত্রেই নয় বরং কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকার বন উজাড় এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষতি করছে।

অস্ট্রেলিয়ার দূত অভিযোজন এবং প্রশমন উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টা এবং বিনিয়োগের প্রশংসা করেন। জলবায়ু পরিবর্তন সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বের বিষয়ে তিনি পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

পররাষ্ট্রসচিব সবুজ প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

জলবায়ু অর্থায়নে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপে জোর বাংলাদেশের

প্রকাশিত ১০:০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের নিজ নিজ দায়িত্ব গ্রহণ, অভিযোজন এবং প্রশমন উদ্যোগের সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়নের ওপর দ্রুত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর দিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক দূত ক্রিস্টিন টিলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে সাক্ষাতে এলে তিনি এ বিষয়ে জোর দেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশকে সর্বনিম্ন সিএফসি (CFC) এবং সিওটু (CO2) নির্গমনকারী, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-প্রভাবিত দেশগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ।

তিনি বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের তাদের দায়িত্ব গ্রহণ এবং অভিযোজন ও প্রশমন উদ্যোগের সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়নে দ্রুত এবং বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার ভূমিকার ওপর জোর দেন।

প্যারিস চুক্তির প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামে (সিভিএফ) সক্রিয় নেতৃত্ব এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২২ গ্রহণ এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার তিন শূন্য তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেটজিরো ভবিষ্যতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি উল্লেখ করে পররাষ্ট্রসচিব শীর্ষ নির্গমনকারী দেশগুলোকে বহুপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়ায় তাদের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে তিনি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করে জলবায়ু অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরকে সমর্থনে অস্ট্রেলিয়াকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

জসীম উদ্দিন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা কেবল বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং জনসংখ্যার ক্ষেত্রেই নয় বরং কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকার বন উজাড় এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষতি করছে।

অস্ট্রেলিয়ার দূত অভিযোজন এবং প্রশমন উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টা এবং বিনিয়োগের প্রশংসা করেন। জলবায়ু পরিবর্তন সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বের বিষয়ে তিনি পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

পররাষ্ট্রসচিব সবুজ প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।